ফেসবুক পোস্টের পর মধ্যরাতে এনসিপি নেতাকে বহিষ্কার
ফ সব ক প স ট র – ফেসবুক পোস্টের পর এনসিপি নেতা সর্দার আমিরুল ইসলামকে মধ্যরাতে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৭ মে) দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে এনসিপির পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয় যে দল থেকে সর্দার আমিরুল ইসলামকে বহিষ্কারের আদেশ জারি করা হয়েছে। পূর্ববর্তী দিনে তিনি ফেসবুক পোস্টে তার সম্প্রদায়ের সাথে সম্পৃক্ত থাকার সম্ভাবনা বিদায় করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন। সেই পোস্ট প্রকাশের পর এনসিপি কর্তৃপক্ষ তার বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
সাংগঠনিক শৃঙ্খলার বিরুদ্ধে আপত্তি
বর্তমান সদস্যসচিব হিসেবে তার দায়িত্ব গ্রহণের পরও তিনি সর্দার আমিরুল ইসলাম শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ তুলে দেখান। সেই আপত্তির প্রতিক্রিয়ায় এনসিপি কর্তৃপক্ষ তার বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তার ফেসবুক পোস্টে লিখা হয়েছে, “আমার পক্ষে দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা আর সম্ভব হচ্ছে না।” ক্যাম্পাস সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তার ছোট ভাই শাহরিয়ার আলম সাম্য খুন হওয়ার ঘটনার পর তিনি দলে যোগ দেন। এর ফলে ফেসবুক পোস্টে দলের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে তিনি এনসিপি কর্তৃপক্ষ তার দ্বারা সংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রতি বিশেষ চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে যে দলের রণনীতি ও রণকৌশলের সাথে তার মত মুক্তি হয়েছে। সাধারণ মানুষের আশাভঙ্গের এই পরিস্থিতিতে তার সম্পৃক্ত থাকার দাবি করে চিঠি জারি করা হয়।
উদ্যোগ ও পরিস্থিতির পটভূমি
সর্দার আমিরুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি একসময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা হিসেবে কাজ করেন। এনসিপি কর্তৃপক্ষ তার প্রতি যে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে তা সাম্য স্যার এ এফ রহমান হল শাখার নেতা হিসেবে তার দায়িত্বের মূল্যায়নে আবির্ভূত হয়। ফেসবুক পোস্টে তিনি সর্বাধিক আপত্তি জানান যে দলের সম্প্রদায় ও বিশ্বাসের প্রতি বিশেষ প্রভাব ফেলেছে।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের প্রতিনিধিত্বে চিঠি জারি করা হয়। সেই চিঠিতে বলা হয় যে ফেসবুক পোস্টের পর দূরত্ব বজায় রাখা সত্ত্বেও সম্প্রদায়ের মত বিভক্তি বৃদ্ধি পেয়েছে। এনসিপি কর্তৃপক্ষ মনে করে তার বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত দলের অভ্যন্তরীণ সম্প্রদায় কে বাঁধানো �