News

ফিলিস্তিনি বন্দিদের যৌন নির্যাতন: জাতিসংঘের ‘কালো তালিকায়’ ইসরায়েল

og_1780112264_6a1a5b8858422

জাতিসংঘ ইসরায়েলকে সংঘাতকালীন যৌন সহিংসতার কারণে কালো তালিকায় তুলে ধরেছে

Bangladailypost.com – ফ ল স ত ন বন দ – জাতিসংঘের নতুন বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি কারাগার ও ডিটেনশন সেন্টারগুলোতে ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর নিয়মতান্ত্রিক যৌন নির্যাতনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। শুক্রবার (২৯ মে) প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে এসব অপরাধের বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। তবে ইসরায়েল জাতিসংঘের প্রতিবেদনে দাবি নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়েছে যে, তাদের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি এবং ইসরায়েলের অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে।

নিয়মিত যৌন সহিংসতার প্রমাণ নিশ্চিত হয়েছে

প্রতিবেদনে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি প্রমিলা প্যাটেন জানান, এসব যৌন নির্যাতনের ঘটনা বিশ্বজুড়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, “আমাদের প্রতিবেদনে যা এসেছে, তা প্রকৃত অপরাধের মাত্র হিমশৈলের চূড়ামাত্র। অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে বলেই এই অপরাধ করতে তারা আরও সাহসী হচ্ছে।”

“আমি ইসরায়েল সরকারের কাছে জবাবদিহিতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার বিশদ জানতে চেয়ে একাধিকবার লিখিত অনুরোধ করেছি, কিন্তু কোনো সাড়া পাইনি।”

তালিকায় শামিল রাষ্ট্রগুলোর বেশিরভাগই গাজার ফিলিস্তিনি। অভিযুক্তদের মধ্যে ইসরায়েলি সশস্ত্র বাহিনী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের নাম রয়েছে। সংঘাতকালীন যৌন নির্যাতনের ঘটনা সামরিক শিবির, তল্লাশি চৌকি ও অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সামরিক অভিযানের সময় ঘটেছে।

ফিলিস্তিনি ভুক্তভোগীদের মধ্যে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী রয়েছেন। তদন্তে অন্তত পাঁচজন পুরুষ দীর্ঘ মেয়াদে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণে ভুগেছেন। স্থানীয় মানুষদের ওপর পুরুষ ও শিশুদের যৌনাঙ্গে আঘাত দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নারীদের জোরপূর্বক নগ্ন করা, শরীর তল্লাশি করা এবং ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছে।

কিছু ক্ষেত্রে ধর্ষণের ঘটনা ভিডিও বা ছবি তুলে রাখা হয়েছে। এই তালিকায় ইসরায়েলের পাশাপাশি ইউক্রেন যুদ্ধে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর যৌন সহিংসতার কারণে রাশিয়াকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কঙ্গোতে তিনটি সশস্ত্র গোষ্ঠী সহ মোট ৭৭টি রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রবহির্ভূত পক্ষ রয়েছে এই তালিকায়।

গত বছরের আগস্টে জাতিসংঘ ইসরায়েলি কারাগারগুলোতে ফিলিস্তিনিদের ওপর যৌন নির্যাতনের ‘অকাট্য তথ্য’ পাওয়ার কথা জানিয়েছিল। তবে ইসরায়েল জাতিসংঘের পরিদর্শকদের সেসব কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেয়নি। ইসরায়েলের জাতিসংঘ রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দাবি করেন, ‘আমরা জাতিসংঘকে তদন্তের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম, তারা আসেনি।’

তালিকায় নাম ওঠার ফলে সরাসরি কোনো অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা না আসলেও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আন্তর্জাতিক সুনাম ক্ষুণ্ন �

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *