দিনাজপুরে তাপমাত্রা ৩৮.৩ ডিগ্রি, ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন
সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে
দ ন জপ র ত পম ত – দিনাজপুর জেলায় জ্যৈষ্ঠ মাসে ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণ কমে গেলে তাপমাত্রা স্থায়ী হয়ে আছে। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতা বেশি হওয়ায় দুর্বলতার অনুভূতি বৃদ্ধি পেয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা ৩টায় সিনপটিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে।
“সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী ৪ জুন পর্যন্ত এই অবস্থা বিরাজ করতে পারে। বৃষ্টির কোন সম্ভাবনা নেই,” বলেন দিনাজপুর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ তোফাজ্জল হোসেন।
জনজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
তীব্র রোদ ও উত্তপ্ত বাতাসের কারণে মানুষ অসুবিধায় পড়েছেন। এ কারণে ঘরের বাইরে বের হওয়া কম হয়ে আছে। সড়ক প্রান্তে হাটবাজারে আসা ব্যক্তিদের সংখ্যা কমে গেছে। প্রয়োজন ছাড়া কেউ বের হচ্ছেন না।
তাপমাত্রার বৃদ্ধির কারণে মানুষের প্রতি জরুরি দুর্দশা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে শ্রমিকদের ভোগান্তি প্রায় অপেক্ষাকৃত বেশি। কৃষি কর্মী ও দিনমজুরদের পরিবর্তন করতে হয়েছে। পানির অভাব বা তৃষ্ণার কারণে ঘাম ঝরছে অবিরাম।
হাসপাতালে রোগী বৃদ্ধি হয়েছে
গরম থেকে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দৈনিক প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন রোগী আসছেন গরমজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে। এ সময় শ্বাসনালীর সংক্রমণ ও নিউমোনিয়া সংক্রামক রোগের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে।
“তীব্র ডায়রিয়া, গ্যাস্ট্রোএন্টারোটাইটিস, শ্বাসনালীর সংক্রমণ এবং বিভিন্ন চর্মরোগ সাধারণত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতিরিক্ত গরমে শরীরে পানিশূন্যতা ও দুর্বলতা প্রকট হচ্ছে।” বলেন বোচাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বিজয় কুমার রায়।
গরমজনিত কারণে মাঠে কাজ করতে বেশি কষ্ট হচ্ছে। কৃষক ফারুক হোসেন জানান, কাজের সময় আর কিছুটা পরিবর্তন করা হয়েছে। শহিদুল ফার্মেসির মালিক শহিদুল ইসলাম বলেন, খাবার স্যালাইন ও জ্বর ও ডায়রিয়া চিকিৎসা ওষুধের বিক্রয় বেড়েছে।