চুয়াডাঙ্গার তরুণদের স্বপ্নে আর্চারি আলো জাগছে
ত র ছ ড় স বপ নভ – চুয়াডাঙ্গা জেলার কোর্টপাড়া সংলগ্ন চাঁদমারী মাঠের পাশে প্রদীপন বিদ্যাপীঠের মাঠে আর্চারির প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পাদিত হচ্ছে। এখানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ক্রীড়াক্ষেত্রের নতুন দিগন্ত গড়ে ওঠার চেষ্টা। ছোট থেকে তীর-ধনুক ব্যবহার করছে যারা স্বপ্ন চাচ্ছে লক্ষ্য ভেদ করতে। কেউ প্রথমবার ধনুক ধরছেন, কেউ জাতীয় দলের জার্সি গায়ে বুনছে। এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে স্বর্ণজয়ী আর্চার ইতি খাতুন এবং মনিরা আক্তারের উত্থান ঘটেছে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ।
প্রদীপন বিদ্যাপীঠের মাঠে চুয়াডাঙ্গা আর্চারি একাডেমির সংস্থাপন করেছেন ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব সোহেল আকরাম। আর্চারি খেলায় এই খেলোয়াড়দের জন্য কেন্দ্রটি গঠিত হয়েছে স্থায়ী মাঠ হিসেবে। এখন সারা দেশে চুয়াডাঙ্গাতেই এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রে অনুশীলনে বেশি থাকছে প্রায় ৫০ জন প্রশিক্ষণার্থী। বছরে দুই হাজার টাকার বেশি ব্যয় হচ্ছে প্রতি মাসে কেন্দ্রটি পরিচালনার জন্য।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে স্বর্ণ নিয়ে আসছে আর্চারির আলো
ইতি খাতুন প্রাপ্ত করেছেন স্বর্ণপদক নেপালে অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান গেমসে। তিনি ১৪ বছর বয়সে খেলার প্রতি আগ্রহ জাগিয়েছিলেন স্কুলের খেলাধুলার মাধ্যমে। তবে সাধারণ পথটি সহজ ছিল না। বর্তমানে তিনি মাসিক এক লাখ টাকা ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে পান। মনিরা আক্তার নামে অন্য একজন স্বর্ণজয়ী আর্চার কেন্দ্রে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি উত্তর কোরিয়া এবং ইরাকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। তার পরিচিতি ছড়ানোর সময় তিনি দেশের পরিচিত নাম হয়ে উঠেছেন।
বাংলাদেশের ক্রীড়া মঞ্চে চুয়াডাঙ্গাকে সবচেয়ে বেশি পরিচিত করেছে আর্চারি। সোহেল আকরাম বলেন, ‘আমি চাই এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটিকে আরও আধুনিক ও সমৃদ্ধ করতে।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিমাসে এই একাডেমি পরিচালনায় ৫০ হাজার টাকার বেশি ব্যয় হয়; কিন্তু সহযোগিতা খুব কম।’
ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা স্বর্ণ অর্জনের সাফল্যের প্রতি সহায়তা করছেন। তবে প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার ফলে আর্চারি খেলার নতুন দিগন্ত খুলেছে। বর্তমানে কেন্দ্রের প্রশিক্ষক মোহাম্মদ হযরত আলী বলেন, ‘আর্চারি এমন খেলা যেখানে গ্রামের ছেলে-মেয়েরা দ্রুত স্বপ্নের উপর কাজ করতে পারে। যেমন ইতি খাতুন ও মনিরা আক্তার।’
খুলনা বিভাগ থেকে স্থায়ী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আর্চারি একাডেমি গঠিত হয়েছে দেশের একমাত্র স্থায়ী মাঠ হিসেবে। তার কার্যক্রমে আর্চারির ভবিষ্যত গড়ে ওঠার সূত্রপাত হয়েছে। আর্চারি ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রায় ৩৫০ জন খেলোয়াড় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে। বর্তমানে কেন্দ্রে প্রায় ৪০ লাখ টাকার মূল্যের সরঞ্জাম রয়েছে। যেমন ৩৫টি ধনুক, সাড়ে ৩৫০টি ত�