ছাত্রলীগ নেতাকে ধরতে গিয়ে ডাকাত সন্দেহে আটক যুবদলের ৩ কর্মী
ছ ত রল গ ন ত ক – পুলিশের সংযুক্ত অভিযানে ছাত্রলীগ নেতাকে ধরতে গিয়ে যুবদলের তিন কর্মী ডাকাত হিসেবে আটক হয়েছেন। ঘটনাটি মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে ফেনীতে ঘটে। ছাত্রলীগের পলাতক নেতা কামরুল হাসানকে ধরতে এই অভিযান করা হয়। এটি আট আগস্ট পরে তাঁর পলাতক হওয়ার পর প্রথম প্রকাশিত ঘটনা।
অভিযোগ ও অভিযানের প্রক্রিয়া
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, ছাত্রলীগ নেতা কামরুল হাসান প্রতিবাদ সংক্রান্ত ঘটনায় পলাতক হন। তাঁর খোঁজ পাওয়ার পর যুবদলের তিন সদস্য তাঁর বাসা ঘেরাও করেন। যুবদলের কর্মীদের নাম মোহাম্মদ একরাম, গোলাম মাওলা এবং হৃদয়। তাদের আটক করা হয় ডাকাতির অভিযোগে পুলিশ গৃহীত বিষয়টি ঘটেছে।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান জানান, “ছাত্রলীগ নেতাকে ধরার জন্য ওই তিন যুবক সেখানে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে পৌঁছে তারা প্রতিরক্ষামূলক বিস্ফোরণের চেষ্টা করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার পর তিন কর্মীকে গ্রামবাসীর হাতে সোপর্দ করা হয়। মুচলেকা নিয়ে উভয় পক্ষ সম্মতি দেয়।”
অভিযানে দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে প্রায় ১০-১২ জন বাড়িটি ঘেরাও করে। তাদের মধ্যে কয়েকজন সংঘটনার সময় ককটেল বিস্ফোরণের চেষ্টা করেন। ছাত্রলীগ নেতা কামরুল হাসানের বাবা হামিদুল হক অভিযোগ করেন যে তাঁর ছেলেকে নিরাপত্তি দেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। তিনি রাতেই থানায় লিখিত অভিযোগ জানান।
অভিযোগ অনুযায়ী, ছাত্রলীগ নেতা কামরুল হাসান প্রতিবাদ সংক্রান্ত ঘটনায় জড়িত হওয়ার পর পলায়ন করেন। যুবদলের সদস্যরা তাঁকে আটক করার পর তাদের হাতে বাড়িটি ঘেরাও করে। এই অভিযানের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দারা ছাত্রলীগ নেতার খোঁজ পেয়ে তিন কর্মীকে ধরতে সহায়তা করে।
পুলিশের তরফে ছাত্রলীগ নেতাকে প্রতিরক্ষামূলক বিস্ফোরণের চেষ্টা সম্পর্কে তদন্ত শুরু হয়। তাঁদের খুঁজতে গিয়ে যুবদলের কর্মীরা বাড়িটি ঘেরাও করে। ঘটনার পর থানায় পৌঁছে পুলিশ তাদের হাতে ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রাহক হিসেবে আটক করে।
এই ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতার সম্প্রদায় ও পুলিশ মধ্যে তীব্র তর্ক দেখা দেয়। যুবদলের কর্মীদের বাচানোর জন্য জসিম উদ্দিন বাবু এবং তার ছেলে জাহিদ হাসান সরকার দলীয় দাবি করেন। তারা বলেন যে অভিযোগ প্রমাণ হয়নি এবং তাদের সম্প্রদায়ের মানবাধিকার হারানো হয়েছে।
পুলিশ ঘটনার পর তিন কর্ম�