চীনের স্বার্থ, জনআকাঙ্ক্ষা ও ফ্যাক্ট-চেকিংয়ে ভারসাম্য গণমাধ্যম নীতি
চ ন র দ য প প – সাংহাইয়ের ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম দ্য পেপার কার্যালয় পরিদর্শন করে একজন প্রতিবেদক চীনের মিডিয়া ব্যবস্থার গঠন ও নীতি অনুসরণ প্রসঙ্গে স্পষ্ট ধারণা লাভ করেন। ঢাকা থেকে গিয়েছেন এ প্রতিবেদক চীনা দূতাবাসের আমন্ত্রণে একটি ১৬ সদস্যের প্রতিনিধিদলের সদস্য হয়ে। সফরের প্রাথমিক কাজ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি ঘুরে দেখেন এবং সাংবাদিকদের সাথে আলোচনা করেন।
প্রতিষ্ঠানের গড় গতিবিধি
২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত দ্য পেপার মূলত ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ এবং সোশ্যাল মিডিয়া মাধ্যমে খবর প্রকাশ করে। প্রতিদিন প্রায় ৩০০টি আর্টিকেল প্রকাশ করা হয় প্রতিষ্ঠানটির ব্রিফিংয়ে জানানো হয়। এ প্রক্রিয়ায় বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয় অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও অর্থনীতি বিশ্লেষণে।
তাদের অ্যাপ ও ওয়েবসাইট মিলিয়ে পাঠক ও দর্শকের সংখ্যা ৩০ কোটির বেশি। ফ্যাক্ট চেকিং টিমের সদস্য ফেঙ্গ মেঙ্গ জানান, সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর গতিবিধি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। তিনি আরও বলেন, এআই মডেল যেমন চ্যাটজিপিটি, জেমিনি ও ডিপসিক পরীক্ষা করছি যাতে ভুল তথ্য যাচাইয়ে সহায়তা বা বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে সে বিষয়ে ধ্যান রাখা হচ্ছে।
“আমরা সরাসরি কোনো তথ্যকে উড়িয়ে না দিয়ে উৎস ও প্রেক্ষাপট যাচাইয়ের মাধ্যমে সত্য তুলে ধরার চেষ্টা করি।” – ফেঙ্গ মেঙ্গ
পাঠকের তথ্যচাহিদা পূরণের প্রয়াস
সাংহাই ইউনাইটেড মিডিয়া গ্রুপের অধীনে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য যাচাই করে। এ প্রক্রিয়ায় জোর দেওয়া হয় আন্তর্জাতিক সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে বিশেষ নির্ভরযোগ্যতার প্রতি। গত সাড়ে চার বছরে তাদের টিম প্রায় ৯ শতাধিক ফ্যাক্ট-চেক রিপোর্ট প্রকাশ করেছে যা ৯০ কোটি ভিউ পেয়েছে।
চীনের গণমাধ্যম কাঠামো বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় নীতি ও জনআকাঙ্ক্ষার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করে। এছাড়াও একটি পাবলিক টুলবক্স চালু করেছে যাতে সাধারণ ব্যবহারকারীদের ফ্যাক্ট-চেকিং পদ্ধতি শিখতে হয়। প্রতিষ্ঠানটির চীনা ও ইংরেজি ভাষার সংস্করণ রয়েছে।
নিয়মিত আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেক সম্মেলন ও একাডেমিক কর্মশালায় অংশ নেয় প্রতিষ্ঠানটি। বাংলাদেশি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময়ে উ তিং বলেন, চীনের গণমাধ্যম রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা মেনে চলে এবং জনগ