চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল ও পথসভা
চট টগ র ম ন ষ দ – চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একটি ঝটিকা মিছিল ও পথসভা সংঘটিত হয়েছিল, যা ছাত্রলীগ এর নিষিদ্ধ হওয়া পরে আয়োজন করা হয়েছিল। এই সংগ্রামী গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানটি ছাত্র কমিউনিটি কর্তৃক সংগঠিত হয়েছিল, যেখানে তাদের দাবি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে। মিছিলের সংখ্যা প্রায় ২০ থেকে ৩০ জন ছিল, যারা ডিসি হিল এলাকার সামনে জমা হয়ে স্লোগান ছুড়ে ফেলেন। তাদের প্রতিনিধিরা ব্যানার ও স্বাক্ষরের মাধ্যমে আংগিক করে দাবিদাখিল করেন। ভিডিও ছবিগুলি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং পূর্বতন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল তাঁর ফেসবুক পেজে শেয়ার করেন।
অনুষ্ঠানের প্রাথমিক বিবরণ
মিছিলটি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার মূল প্রান্তে সংঘটিত হয়েছিল, যেখানে ছাত্রলীগ এর সদস্যদের সংখ্যা বেশ কিছু কম। সূত্রে জানা গেছে যে, প্রতিটি অংশগ্রহণকারী প্রতিটি স্লোগানের মাধ্যমে তাদের দাবি প্রকাশ করেছিলেন। পরে এই সংঘটন পথসভায় রূপান্তরিত হয়েছিল, যেখানে ছাত্রদের বক্তব্য ও মাগুলি প্রকাশ করা হয়েছিল। এই ঘটনাটি বৃহৎ দলের সাথে জড়িত ছিল কিন্তু সামান্য কর্মীদের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছিল। সাধারণত এই ধরনের প্রতিবাদ চট্টগ্রামে বেশ কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় যেখানে ছাত্রলীগ এর প্রতি আপত্তি প্রকাশ করা হয়।
পুলিশের তদন্নী ও ব্যবস্থা
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আফতাব উদ্দিন জানান যে, পুলিশ অনুষ্ঠানটি সম্পর্কে তদন্নী করছে। সংঘটিত ঘটনার প্রতিনিধি দের সাথে কথা বলার পর বিষয়টি আইন মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। বৃহৎ সংখ্যায় ব্যক্তি অংশ গ্রহণ করেছেন কিন্তু সেই প্রতিবাদ চট্টগ্রামে সামান্য ছিল। এই ধরনের মিছিল প্রায় সারা দেশে দেখা গেছে যেখানে ছাত্রলীগ এর বিরুদ্ধে আপত্তি প্রকাশ করা হয়।
অনুষ্ঠানটির মাধ্যমে প্রতিবাদের গুরুত্ব প্রকাশ করা হয়েছিল, যেখানে ছাত্রলীগ এর নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তাদের কর্মীদের আরও কিছু বিষয়ে কথা বলা হয়েছিল। সড়ক অবরোধের পর ছাত্ররা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেছিলেন যে চট্টগ্রাম শহরে তাদের প্রতিবাদের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তদন্নী চলছে এবং ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংবাদ স্থানীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছিল।
আরও কিছু সংখ্যায় অংশগ্রহণকারী ছিলেন, যারা চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আরও কিছ�