চট্টগ্রামে ধর্ষণের ঘটনার প্রতি মেয়রের বিশেষ কার্যক্রম
চট টগ র ম ধর ষণচ ষ – চট টগ র ম ধর ষণচেষ্টা বাকলিয়া এলাকায় ঘটেছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ ঘটনার সম্মুখীন হয়ে পরিচালনা করছেন। এ বিষয়ে তিনি রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পরিদর্শন করেন এবং আহত ৪ বছর বয়সী শিশুটির চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি হাসপাতালে শিশুটির শারীরিক অবস্থা খোঁজ খবর নেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
পরিবারকে সান্ত্বনা দিয়ে চিকিৎসার সম্পূর্ণ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে
মেয়র শাহাদাত হোসেন শিশুটির মাকে চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণের আশ্বাস দেন। এসময় তিনি আহত শিশুটির পরিবারের সদস্যদের আশ্বস্ত করেন এবং দায়িত্বপরায়ণ চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে চিকিৎসার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে রাখার নির্দেশ দেন। তিনি জানান, এ ধরনের অমানবিক নৃশংসতা কোনো ক্ষমতা দিয়ে ছাড়া যাওয়া উচিত নয়।
আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান
মেয়র শাহাদাত হোসেন জানান, এ ধরনের ধর্ষণের চেষ্টার পুনরাবৃত্তি হতে না দেখার জন্য আইনের আওতায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেফতার করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে সঠিক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, “এ ধরনের পীড়নের ঘটনা প্রতিটি সাংবাদিকের অবহেলা করতে পারে না। আইন বাহিনী অপরাধীদের সত্যিকার দায়িত্ব পালনে সাহায্য করবে এবং চিকিৎসার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে সতর্কতা রাখার জন্য আমি সব সম্ভাব্য ব্যবস্থা নেব।”
পুলিশ জানায়, বাকলিয়া এলাকার ডেকোরেশনের কর্মচারী চার বছর বয়সী শিশুকে দোকানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেছিল। ঘটনার খবর পেয়ে লোকজন রাস্তায় বিক্ষোভ করে অপরাধীকে আটক করে। মেয়র এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ও হাসপাতালের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করেন।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. সামিউল মেয়রের সঙ্গে ছিলেন। তিনি জানান, শিশুটির চিকিৎসার সাথে সমাজের প্রতি কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। ধর্ষণের ঘটনার জন্য আইনী ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
চট টগ র ম ধর ষণচেষ্টার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিটি সম্প্রদায় তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। মেয়র শাহাদাত হোসেন জানান, চিকিৎসা পরিস্থিতি নিয়ে কর্মকর্তাদের সাথে সুস্থতা কামনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ ঘটনার মাধ্যমে সমাজে ভয় ছড়ানো হয়েছে, তাই পুনরাবৃত্তি প্রতিরোধে সবাই একত্রিত হতে হবে।