News

গবেষণা / চট্টগ্রামে গতিসীমা লঙ্ঘন করে মোটরসাইকেল চালান ৭০% চালক

গব ষণ চট টগ র ম গত - চট্টগ্রামে ৪৪ শতাংশের বেশি যানবাহন নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম করে চলাচল করছে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। এতে প্রতি বছর সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায়

Desk News
Published May 20, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

গব ষণ চট টগ র ম গত – চট্টগ্রামে ৪৪ শতাংশের বেশি যানবাহন নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম করে চলাচল করছে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। এতে প্রতি বছর সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ১০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটছে। একই সঙ্গে নগরে গতিসীমা লঙ্ঘন করে মোটরসাইকেল চালান ৭০% চালক। এ পরিস্থিতিতে সড়কে গতি নিয়ন্ত্রণ ও দুর্ঘটনা কমাতে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কর্মকর্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২০ মে) নগরের রেডিসন ব্লু হোটেলে গ্লোবাল রোড সেফটি পার্টনারশিপের (জিআরএসপি) আয়োজনে দুই দিনব্যাপী এ কর্মশালা শুরু হয়। এটি ব্লুমবার্গ ফিলানথ্রপিস ইনিশিয়েটিভ ফর গ্লোবাল রোড সেফটির (বিআইজিআরএস) অংশ। কর্মশালার উদ্বোধন করেন সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। তিনি বলেন, ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নের পাশাপাশি চালকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি জরুরি। সময় বাঁচানোর চেয়ে জীবন বাঁচানোকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। প্রশিক্ষণে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে গতিসীমা বাস্তবায়নে পুলিশের ভূমিকা, অতিরিক্ত গতির ঝুঁকি, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং নিরাপদ চেকপোস্ট ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন জিআরএসপির এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের সিনিয়র রোড পুলিশিং উপদেষ্টা পিটার জোনস। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘রোড সেফটি রিস্ক ফ্যাক্টরস ইন চট্টগ্রাম: স্ট্যাটাস সামারি রিপোর্ট ২০২৪’ অনুযায়ী, নগরে মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে গতিসীমা লঙ্ঘনের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। প্রায় ৭০ শতাংশ মোটরসাইকেল নির্ধারিত গতির চেয়ে বেশি গতিতে চলতে দেখা গেছে। জনস হপকিন্স ইন্টারন্যাশনাল ইনজুরি রিসার্চ ইউনিট ও সিআইপিআরবি যৌথভাবে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। মোটরযান গতিসীমা নির্দেশিকা-২০২৪ অনুযায়ী, মহাসড়কে ৮০ কিলোমিটার, শহরে ৫০ কিলোমিটার এবং স্কুল এলাকার আশপাশে ৩০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে যানবাহন চালালে সর্বোচ্চ তিন মাসের কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যেতে পারে। পিটার জোনস বলেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে গতিনিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত কমাতে পুলিশ, সিটি করপোরেশন ও বিআরটিএর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ চলছে। কর্মশালায় সিএমপির ট্রাফিক সার্জেন্ট, উপপরিদর্শক, পরিদর্শক, সহকারী পুলিশ কমিশনার ও অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনারসহ ৭২ জন কর্মকর্তা অংশ নেন। এছাড়া বিআরটিএর চারজন পরিদর্শকও অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করেন সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী।

Leave a Comment