রাজশাহীতে গঙ্গার পানির ন্যায্য হিসাব প্রতিবাদ গণজমায়েত
গঙ গ র প ন র ন – শনিবার (১৬ মে) বিকেলে রাজশাহীর বড়কুঠি পদ্মাপাড়ে ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উদযাপন কমিটি সংগঠিত করে গঙ্গার পানির ন্যায্য হিসাব নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক নদী কমিশন গঠনের দাবি জানানো হয়েছে। এ অনুষ্ঠানটি ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত হয়।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এম. রফিকুল ইসলাম প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত হন। তিনি ঘোষণা করেন যে আন্তর্জাতিক নদীগুলির পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে একতরফা বাঁধ নির্মাণ বাংলাদেশে পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক ক্ষতির সৃষ্টি করছে। ফারাক্কা বাঁধের প্রতিক্রিয়ায় গঙ্গা ও তিস্তা নদীতে পানির প্রবাহ কমে আসায় কৃষি ও জীববৈচিত্র্যের উপর গুরুতর প্রভাব পড়ছে।
তিনি বলেন, ভারতের পানি প্রত্যাহার করা গঙ্গা, তিস্তা ও অন্যান্য অভিন্ন নদীগুলিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ক্ষতি বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারকে ক্ষতির সঠিক হিসাব নেওয়া এবং ক্ষতিপূরণ আদায় করতে হবে।
এ আয়োজনে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক এরশাদ আলী ঈশা। তিনি বলেন, বাংলাদেশে ফারাক্কা বাঁধ, তিস্তা নদীতে বাঁধ এবং অন্যান্য নদীতে বাঁধ দিয়ে পানি সরিয়ে নেওয়ার ফলে হুমকি ও ক্ষতির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এ সমস্যাকে দ্বিপাক্ষিক মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক নদীর ন্যায্য হিসাবের স্বার্থে ভারত, বাংলাদেশ, চীন, নেপাল ও ভুটান সহ একটি আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা আবশ্যক।
অ্যাডভোকেট এনামুল হকের সভাপতিত্বে সংগঠনটিতে অংশগ্রহণ করেন রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল, আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটির সভাপতি মোস্তফা কামাল মজুমদার, ড্যাবের রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি ডা. ওয়াসিম হোসেন, নদীগবেষক মাহবুব সিদ্দিকী, ভাসানী পরিষদের সদস্যসচিব আজাদ খান ভাসানী, রাজশাহী স্বার্থ সংরক্�