News

‘এবার অন্তত গরুর মাংস খাইতে পারমু’

ঈদে কোরবানি ছাড়া আনন্দ ছিল না: এবার অন্তত গরুর মাংস খাইতে পারমু অনুভব করলেন বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের মানুষ এব র অন তত গর র ম - অন্তত গরুর মাংস খাইতে পারমু হলো ঈদুল

Desk News
Published May 29, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ঈদে কোরবানি ছাড়া আনন্দ ছিল না: এবার অন্তত গরুর মাংস খাইতে পারমু অনুভব করলেন বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের মানুষ

এব র অন তত গর র ম – অন্তত গরুর মাংস খাইতে পারমু হলো ঈদুল আজহার প্রতিযোগিতার একটি অপরূপ অংশ হিসেবে অনুভব করছেন বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দারা। কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের বতুয়াতলি গ্রামে বাসিন্দা মো. সুরুতজামাল বলেন, আনসারী পরিবারের কোরবানি দেওয়ায় এবার অন্তত গরুর মাংস খাওয়া সম্ভব হয়েছে। এতে চরের মানুষের আনন্দ ছিল না বলে তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করছিলেন সেই পরিবারের অনুগামীদের কাছে।

আনসারী পরিবারের সম্মানে গরু কোরবানি

চরাঞ্চলে অধিকাংশ মানুষ কোরবানি করার সুযোগ পায়নি। বালাডোবার চরে বাসিন্দা মজিবর রহমান জানায়, সেখানে কোরবানি ছিল না। কেউ কেউ মুরগি কিনে রান্না করেছে বলে জানা যায়, কিন্তু সেটি পাওয়া যায়নি। অনেক কষ্ট করে চরে কয়েক শত মানুষ মাছ ধরে জীবিকা করছেন এবং ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার কাজে নিয়োগ পাচ্ছেন। কিছু কৃষি ও নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন যাদের এবার অন্তত গরুর মাংস খাইতে পারমু হয়েছে।

বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. বাবলু মিয়া বলেন, বালাডোবার চর এবং মুসার চর তার ইউনিয়নের সবচেয়ে দরিদ্র এলাকা। সরকারি বরাদ্দ না থাকায় শুধু ভিজিএফের চাল দেওয়া হয়েছে। আনসারী দম্পতি গরু কিনে কোরবানি করায় এবার অন্তত গরুর মাংস খাইতে পারমু অনুভব করছেন তাদের প্রতিবেশীরা।

অভাব ও বন্যার প্রতি সম্মান বহন করেছে আনসারী পরিবার

আসাদুজ্জামান আনসারী বলেন, গত কয়েক বছর ধরে আমরা কয়েকটি চরে একটি গরু কোরবানি করে আসছি। এবার তিনি দুটি গরু কোরবানি করেছেন। আল্লাহ সামর্থ্য দিলে ভবিষ্যতে এটি আরও বাড়ানো হবে। এবার অন্তত গরুর মাংস খাইতে পারমু হয়েছে বলে সমাজে প্রশংসা পাচ্ছে তাঁদের প্রচেষ্টা। কোরবানি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করেন তিনি, কিন্তু অভাবগ্রস্ত মানুষের হাতে মাংস তুলে দিলে তাঁর আনন্দ প্রকাশ পাচ্ছে।

বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের সংকট মোকাবিলায় আনসারী দম্পতি তাদের সম্মান ও মিলন এবার অন্তত গরুর মাংস খাইতে পারমু হয়েছে। এতে ঈদ আনন্দময় হয়েছে বলে মনে হয়। তাদের দেওয়া কেজি করে মাংস সমাজে বিতরণ করেছেন যারা এখন সেই মাংস খাচ্ছে।

চরাঞ্চলে নদীভাঙন ও বন্যার কারণে অনেকে কষ্ট করে বেঁচে আছেন। প্রায় সাড়ে চার শতাধিক চরে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ বসবাস করছেন। এবার অন্তত গরুর মাংস খাইতে পারমু হওয়ার কারণে আনন্দে ছোট ছোট শিশু আর সন্তান স্বাচ্ছন্য হয়েছে।

তিনি আরও জানান, কোরবানি প্রচার হলে অন্যদের উৎসাহ হয়। এ

Leave a Comment