ঈদ র ছুটিতে রাঙ্গামাটি ও সাজেক পর্যটকদের ভিড়
ঈদ উপলক্ষে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির সাথে সাথে পর্যটন উৎস
ঈদ র ছ ট ত র ঙ – ঈদ র ছুটিতে রাঙ্গামাটি ও সাজেকে পর্যটন উৎস হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব লাভ করছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা ভ্রমণকারীরা ঝুলন্ত সেতু ও কাপ্তাই হ্রদের সৌন্দর্য ব্যাপকভাবে অনুভব করছেন। কাপ্তাই লেকে ঘুরে বেড়াতে অনেকে ইঞ্জিন চালিত বোটে যাচ্ছেন, যেখানে কাপ্তাই হ্রদের মাঝে নীল মাটি এবং ঝুলন্ত সেতুর প্রতি সাধারণ কোন ভাবে সংঘটিত হয়েছে। বিশেষ করে এই ছুটির মাধ্যমে এই জায়গাগুলো সাধারণ মানুষের কাছে অধিক পরিচিত হয়েছে।
ঝুলন্ত সেতু এবং কাপ্তাই লেকের সমন্বয় বিশেষ করে ঈদ র ছুটি বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে রয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন এই অঞ্চলে সাধারণত পর্যটকদের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। রাঙ্গামাটির পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স এবং সাজেক ভ্যালি দুটি স্থানে এই ছুটির বিশেষ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। আবার গোটা অঞ্চলে পর্যটক সংখ্যা স্থায়ীভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ পর্যটন অঞ্চলে সাধারণত বেশি ভিড় দেখা যায়।
ফেনী থেকে আসা খোরশেদ আলম, সোহেল রানা এবং হাবিব বলেন, আমরা এই ঝুলন্ত সেতুতে প্রথমবার ভ্রমণ করেছি। লেকের পাশে পাহাড় দেখা যায়, যা অনেকের জন্য প্রতিকূল দেখায়। সারাদিন বোটে লেক ঘুরাঘুরি করে সেতু দেখতে আসেছি। প্রতিটি পর্যটকের জন্য এটি একটি অপরিসংখ্যান অভিজ্ঞতা হিসেবে কাজ করছে।
পর্যটন ব্যবস্থার সামঞ্জস্যতা ও সংগ্রাম
রাঙ্গামাটির পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপনা করছেন অলোক বিকাশ চাকমা। তিনি বলেন, ঈদের তৃতীয় দিনে সাড়ে ৩ হাজার পর্যটক ঝুলন্ত সেতুতে আসে। এ ছাড়া সাজেক ভ্যালিতে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার পর্যটক অবতরণ করেছেন। রিসোর্ট কটেজগুলোতে গত দুই দিনের তুলনায় আজ সব বুকিং পূর্ণ হয়েছে। পর্যটন কমপ্লেক্স সংস্থার কাছে আবার দুর্দান্ত সামঞ্জস্যতা দেখা যায়।
সাজেক রিসোর্ট কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুর্পণ দেব বর্মণ জাগো নিউজকে বলেন, গত দুই দিনের তুলনায় আজ পর্যটকদের সংখ্যা অনেক বেশি হয়েছে। এ ছারা বৃহত্তর পর্যটক সংখ্যা রয়েছে। আমাদের কমপ্লেক্সে এখন সর্বাধিক ভিড় দেখা যাচ্ছে। পর্যটকদের জন্য কমপ্লেক্সে অবশ্য সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
পর্যটন বোট ঘাট কাউন্টারের লাইনম্যান ফখরুল ইসল