ঈদের ছুটিতেও বান্দরবানে পর্যটক কম
দেবতাখুম পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটক সংখ্যা কমেছে
ঈদ র ছ ট ত ও ব – গত বছরে ঈদ ছুটিতে বান্দরবানে পর্যটক প্রবেশ করেছিলেন বেশ কয়েক হাজার। কিন্তু এবার তেমন বৃহত্তর পর্যটন ঘটেনি। শনিবার (৩০ মে) জেলা সদরে নীলাচল, মেঘলা, শৈলপ্রপাত ও রুপালি ঝরনার পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে আগমন ঘটেছে প্রায় ৮০০ পর্যটক। যা গত ঈদের তুলনায় দুই হাজার থেকে কম।
হোটেল হিলভিউ’র ফ্রন্ট ডেক্স ম্যানেজার মো. ইউনুছ বলেন, আজ ও আগামীকাল তাদের হোটেলে প্রায় শতভাগ বুকিং রয়েছে।
ব্যবসায়ীরা উদ্বিগ্ন
পর্যটন খাতের সাথে জড়িত ব্যবসায়ীদের কাছে সম্প্রতি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ বিধি ও ছুটির দিন কম হওয়া খুবই আশ্চর্য। জেলা প্রশাসনের নিরাপত্তার বিধি ও বাইরের অর্থনীতির মন্দার কারণে পর্যটকের সংখ্যা কমেছে। হোটেল মালিকরা বলেন, গত ঈদে কক্ষ পেতে হিমসিম খেতে হয়েছিল। কিন্তু এবার সে সমস্যা দেখা দেয়নি।
হোটেল হিল্টনের ফ্রন্টডেক্স ম্যানেজার তপন বড়ুয়া বলেন, তাদের হোটেলে ৬০ শতাংশ ও আগামীকালের জন্য ৪০ শতাংশ বুকিং রয়েছে।
বান্দরবান সদরে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নীলাচলে ১৮০০ এবং মেঘলায় ১৪০০ পর্যটক আসে। এগুলো গত বছরের তুলনায় কম। রোয়াংছড়ি পর্যটক গাইড সমিতির সাধারণ সম্পাদক চিংনু মং মারমা বলেন, দেবতাখুমে অন্যান্য ঈদের তুলনায় এবার পর্যটক আগমন কম হয়েছে।
সারাদিন মাত্র ৭০০ পর্যটক এলাকায় আসে। রুমায় পর্যটক গাইড সমিতির সভাপতি লাল রুকুয়াল বম বলেন, গত ঈদের মতো এবারও দুই থেকে আড়াই হাজার পর্যটক বগালেক ও কেওক্রাডং ভ্রমণ করেছেন।
থানচি পর্যটক গাইড অফিসের সহকারী উত্তম ত্রিপুরা বলেন, আজ থানচিতে ৪০০ পর্যটক ভ্রমণ করেছে। গত ঈদে যা ছিল প্রায় ২ হাজার।
বান্দরবান হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ওনার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জসীম উদ্দীন বলেন, ঈদ পরবর্তী ছুটি কম ও বৈশ্বিক অর্থনীতির মন্দাভাবের কারণে এবার পর্যটক আসেনি। এছাড়া যাতায়াতে ব্যয়বহুল গাড়ি ভাড়া হলেও পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে আসা বন্ধ হয়েছে।
বান্দরবান টুরিস্ট পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মো. মাহাবুবুর রহমান বলেন, আগত পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য টুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশ কাজ করছে। দুইটি ভ্রাম্যমাণ টিমের সাথে সাদা পোশাকে পুলিশ পর্যটন কেন্দ্রে দেখা যাচ্ছে।