আদালত প্রাঙ্গণে ধূমপান নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা ও আইন প্রয়োগ দুটোই জরুরি
আদ লত প র ঙ গণ ধ – বর্তমানে ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণসহ দেশের বিভিন্ন জনসমাগমস্থলে ধূমপান নিয়ন্ত্রণে নতুন পদক্ষেপ গ্রহণের চেষ্টা চলছে। পুলিশ নিয়মিত আদালত প্রাঙ্গণে ধূমপান থেকে মানুষকে বিরত রাখার জন্য ক্রমাগত কার্যক্রম পরিচালন করছে। তবে সামগ্রিক শতভাগ সফলতা অর্জন করা সম্ভব হয়নি। অনেক মানুষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন নন। আদালত প্রাঙ্গণের মতো সংবেদনশীল স্থানে ধূমপান নিয়ন্ত্রণে শুধু আইন প্রয়োগ নয়, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও আচরণগত পরিবর্তনও অপরিহার্য। এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান বলেছেন যে ধূমপানকে জনউপদ্রব হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ এর ক্ষতিকর প্রভাব শুধু ধূমপায়ীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, অধূমপায়ীদের জন্যও বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে।
আদালতের প্রাঙ্গণে ধূমপানের পরিস্থিতি
আদালত প্রাঙ্গণে দৈনিক প্রায় এক লাখ মানুষের আসামিতা রয়েছে। পুলিশ নিয়মিত কর্মকর্তাদের সাথে সহযোগিতা করে এবং প্রকাশ্য স্থানে ধূমপান বন্ধ করতে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়োগ করা হয়েছে। তাদের কাছে অপরাধ ঘটনার প্রতি সাবেকি আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষমতা রয়েছে। পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের ক্ষেত্রে ধূমপান নিয়ন্ত্রণ কঠোরভাবে পরিচালন করা হয়। কারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জনসমাগমে আচরণের উদাহরণ হওয়া উচিত। তাদের দায়িত্বশীলতা ও সচেতনতা অবশ্য দরকার।
আইন প্রয়োগের প্রক্রিয়া
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে জরিমানার বিধান রয়েছে। তবে পুলিশ সদস্যদের সরাসরি এই জরিমানা করার ক্ষমতা নেই। নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে পরিচালন করা হয়। আদালত প্রাঙ্গণ পুরোপুরি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন। সংশোধিত আইনের আওতায় অন্যান্য জনউপদ্রবের ঘটনায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেটদের কাছে জরিমানা নির্ধারণের ক্ষমতা রয়েছে। তবে প্রকাশ্য স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ হলেও আদালত প্রাঙ্গণে এটি অনুসরণ হচ্ছে না।
আদালত প্রাঙ্গণে ধূমপান নিয়ন্ত্রণের সমস্যা সম্পর্কে মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান বলেছেন যে ধূমপানের বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতার বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেছেন যে