News

৭ হাজার ৫৫০ ভরি সোনা আত্মসাৎ, বিক্রয়কর্মী নিজেই গড়ে তুলেছেন জুয়েলারি

a8661903-6537-4c09-b941-b3e9fe150572-0

৭ হাজার ৫৫০ ভরি সোনা আত্মসাৎ করে গ্রেফতার হন বিক্রয়কর্মী

ঘটনার স্থান ও সময় নির্ধারণ

Bangladailypost.com – ৭ হ জ র ৫৫০ ভর স – রাজধানী ঢাকার বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সে অবস্থিত একটি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের সাবেক বিক্রয়কর্মী কৃষ্ণ বসাককে সিআইডি অপরাধ তদন্ত বিভাগ গ্রেফতার করেছে। ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর সময় বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সের সামনে, যখন তিনি আত্মসাৎ করা সোনা বিপণনের জন্য তার স্থান বরাবর পৌঁছেছিলেন। পুলিশ তদন্তে আত্মসাতের প্রকৃতি এবং পরিমাণ নির্ধারণের জন্য অগ্রগামী হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠার পটভূমি

সিআইডি তথ্য প্রকাশ করেছে যে কৃষ্ণ বসাক বিক্রয়কর্মী হিসেবে দোকানটি পরিচালনা করেছেন কিন্তু স্বয়ং জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। পুঁজিবাজারে তার অংশ নেওয়া হয়েছে এবং গাড়ি ও বাড়ির মালিক হিসেবে তার চিহ্নিত করা হয়েছে। এই গুরুতর অপরাধের প্রতিক্রিয়ায় আদালতে রিমান্ড আবেদন পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কৃষ্ণ বসাকের বিপুল সম্পদ তথ্য আবিষ্কৃত হয়েছে। বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সে একাধিক জুয়েলারি দোকান রয়েছে এবং আত্মসাত করা সোনা উদ্ধারের পাশাপাশি অন্য আসামিদের তথ্য উদঘাটন করার জন্য তদন্ত চলছে।

তদন্তের ফলাফল অনুযায়ী কৃষ্ণ বসাক প্রতিষ্ঠানে বিক্রয়কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার মাসিক বেতন ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা ছিল কিন্তু তার পুঁজিবাজারে সম্পদ তথ্য অস্বাভাবিক ছিল। তিনি প্রতিষ্ঠানে তার স্বাক্ষরিত পরিচয়ের সাথে কাজ করেছেন বলে জানা গেছে।

সিআইডির কর্মকর্তা বলেন, ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য আবিষ্কৃত হয়েছে। কৃষ্ণ বসাকের আয়কর নথি থেকে তার সম্পদ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এই সম্পদের মূল্য প্রায় ৯৪ কোটি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা হিসাবে প্রকাশ করা হয়েছে। আরও জানা গেছে যে তিনি ফ্ল্যাট ও কার পার্কিং অধিকারী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।

বিক্রয়কর্মী হিসেবে কৃষ্ণ বসাক তার প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ দশক ধরে কর্মরত ছিলেন। তিনি সোনার বিপণন প্রক্রিয়ায় সংগ্রহ করা সোনা পরিমাণ অনুযায়ী বিভিন্ন হিসাব প্রস্তুত করেছেন। এই সোনার মূল্য আসলে অত্যন্ত উচ্চ ছিল কিন্তু তিনি অনেক হাজার ভরি সোনা বিপণনের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন।

তদন্তের সময় গুরুতর সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি সাবেক বিক্রয়কর্মী হিসেবে সোনার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং পুঁজিবাজারে অর্থ সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় পরিচালনা করেছেন। ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে যা এই সোনা আত্মসাৎ বিষয়ে তথ্য উদঘাটনে সহায়তা করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *