News

হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যু / চাচার কোলে শিশুর মরদেহ, মৃত্যুসনদ পেতে দৌড়ঝাঁপ বাবার

হ সপ ত ল ৬ শ শ: হাসপাতালে ছয় শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বুধবার (২৭ মে) রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালের গেটে দাঁড়িয়ে আছে

Desk News
Published May 28, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
og_1779908244_6a173e94e5794
Foto : Elizabeth Martin - bangladailypost.com

হাসপাতালে ছয় শিশু মৃত্যুর ঘটনা

Bangladailypost.com – হ সপ ত ল ৬ শ শ – হাসপাতালে ছয় শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বুধবার (২৭ মে) রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালের গেটে দাঁড়িয়ে আছে অ্যাম্বুলেন্স, যার পেছনে একটি নবজাতকের মরদেহ কোলে নিয়ে দৌড়ছে মো. সজল হোসেন। তিনি মৃত শিশুর চাচার কোলে ছয় শিশু মৃত্যুর খবর জানার আগে কোনও অস্বাভাবিকতা খুঁজে পানি নি। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, “আমরা ভাবছিলাম স্বাভাবিক মৃত্যু ঘটেছে। এটা জেনে হাসপাতালে আসিলাম এবং লাশ নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হলাম। আসার পর শুনতে পাই যে ওই ওয়ার্ডে সব শিশুই মারা গেছে।”

হাসপাতালে শিশুদের মৃত্যু ঘটার প্রতিবাদ ও পরিস্থিতি

মো. সজল হোসেন জানান, ছয় শিশু মৃত্যুর ঘটনার পর তিনি আরও কয়েকজন রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য দৌড় ঝাঁপ দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরা কী করব এ বিষয়ে ভীতি পেয়েছি। মৃত শিশুদের স্বজনরা অভিযোগ জানিয়েছে যে ছয় শিশু মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।”

“রাত ৩টার দিকে দুটি বাচ্চা অসুস্থ হয়ে এনআইসিইউতে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা বলেন যে বাচ্চারা ভালো আছে। তখন তাদের আবার ওয়ার্ডে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। সকাল ৬টার দিকে রোগীদের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। ছয় শিশু মৃত্যুর ঘটনার পর বাবারা চাচার কোলে মরদেহ নিয়ে ঘোরাফিরা করে।”

ছয় শিশু মৃত্যুর প্রকৃত কারণ খুঁজছেন চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান

আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মহাপরিচালক ডা. নাহিদা ইয়াসমিন সাংবাদিকদের জানান, ওই ওয়ার্ডে ছয় শিশু ও ১১ জন মা ছিলেন। তিনি বলেন, “রাতে অস্পতালের এসি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মায়েরা নার্সদের ডেকে বলেছিল যে ঠান্ডা লাগছে। কিন্তু বাচ্চারা রাতে ছিল এবং কোনো কারিগরি ত্রুটি ছিল কি না তা পরীক্ষা করা হবে।”

ছয় শিশু মৃত্যুর ঘটনার পর হাসপাতালের কর্মকর্তারা বিষয়টি গুরুতর বিবেচনা করছেন। তাদের মতে, ছয় শিশু মৃত্যুর ঘটনা কেবল ওয়ার্ডে বিশেষ কিছু কারণে ঘটেছে। তিনি যোগ করেন, “সকালে আমরা শিশুদের অবস্থা দেখে আশ্চর্য হয়েছি। মৃত �

Leave a Comment