News

হাওরে হাসির বদলে কান্নার ঈদ

og_1779896925_6a17125ddbe52

হাওরে হাসির বদলে কান্নার ঈদ

Bangladailypost.com – হ ওর হ স র বদল ক – সুনামগঞ্জ জেলার দেখার হাওরে কৃষক ইসলাম উদ্দিন বলেন, “কাল ঈদ। অথচ ইচ্ছে আছিল হাওরের ধান ঘরে তুলে বছরের খোরাক রেখে বাকি ধান বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেটা আর পূরণ হলো না। সব ধান পানিতে ডুবে গেছে। এখন ছেলে মেয়েদের ঈদে কী করে নতুন জামা কিনে দেওয়া যাবে?” কথাগুলো বলতে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

ধানের বিপর্যস্ত অবস্থা

হাওরের কৃষকদের ঘরে হাহাকার ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমান বছর মার্চ শেষে সুনামগঞ্জে অতিবৃষ্টি শুরু হয়। এতে জেলার ১৩৭টি হাওরে অনেক জলাবদ্ধতা ঘটে। তবে জলাবদ্ধতার নিরসনে জেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ ও পানি উন্নয়ন বোর্ড চেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে একটানা ভারী বৃষ্টিতে ধানগুলো ডুবে যায়। সরকারি হিসাবে ২০ হাজার হেক্টর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও সংগঠনগুলো দাবি করছেন যে জেলায় প্রায় ৪০ হাজার হেক্টর ধান পানিতে ডুবেছে।

“অনেক আশা নিয়ে ধান করে কোনো লাভ হলো না। সব ধান বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। এখন সরকারের সহায়তাটুকু পেলে ঈদে কেবল ছেলে-মেয়েকে খুশি রাখা যেতো।”

হাওরে পানিতে ডুবে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকার ধানক্ষেত। ছবি-জাগো নিউজের প্রতিবেদনে দেখা যায় কৃষকদের জলাবদ্ধ ধান কাটছেন। বর্তমান বছর সুনামগঞ্জে দুই লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষাবাদ হয়েছিল। তবে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা ঘটায় অনেক কৃষকের ধান হারিয়ে গেছে। সুনামগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিতদপ্তরের উপ-পরিচালক ওমর ফারুখ জানান, “আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে জেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেছি।”

দুর্দশা থেকে বাঁচার আশা

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মতিউর রহমান খান বলেন, “যারা জমি চাষাবাদ করেছিলেন তাদের নাম ক্ষতিগ্রস্ত তালিকায় যুক্ত হয়েছে। কিন্তু কবে তারা সহায়তা পাবেন সেটা নিশ্চিত করতে পারবো না।” ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা বরাবর পাঠানো হয়েছে।

“সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কী কষ্টই না করেছি। ধানও হয়েছিল ভালো। কিন্তু ঘর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *