News

শ্রীমঙ্গলে চোরাবালিতে আটকা পড়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

e1ec1ec0-afb2-46b8-aa40-482cdc87c357-0

শ্রীমঙ্গলে চোরাবালিতে আটকা পড়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ

Bangladailypost.com – শ র মঙ গল চ র ব – শ্রীমঙ্গল চোরাবালিতে আটকা পড়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু ঘটেছে। ঘটনাটি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার রাজঘাট ইউনিয়নের কেজুরী ছড়া চা বাগান এলাকায় মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুর ২টার দিকে ঘটে। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, ছাত্র রুদ্র তাঁতী (১৩) তার বন্ধুদের সঙ্গে ছড়ায় গোসলের জন্য নেমেছিলেন। তিনি চোরাবালিতে আটকে পড়ে পানির নিচে তলিয়ে যান এবং অবশেষে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর স্থানীয়দের সম্প্রতি ঘটনার আংশিক বিবরণ প্রকাশ করা হয়েছে।

নিহতের পরিচয় ও পরিবার

নিহত রুদ্র তাঁতী কেজুরী ছড়া চা বাগানের বাসিন্দা কমল তাঁতীর ছেলে। কমল তাঁতী একজন ট্রাক্টর চালক এবং তার পরিবার এই ক্ষতিকর ঘটনার প্রতি খুব দুঃখিত। রুদ্র ছিলেন শ্রীমঙ্গল রানা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তাঁর পরিবার বলেন ঘটনার সত্যিকার কারণ খুঁজে পাওয়া কঠিন। তাঁর বাবা কমল তাঁতী স্পষ্ট করে বলেন রুদ্র চোরাবালিতে আটকে গিয়ে আর উঠতে পারেনি।

বিস্তারিত বিবরণ

রুদ্র তাঁতী তার বন্ধুদের সঙ্গে দুপুরে ছড়ায় নেমে চোরাবালিতে আটকা পড়ে পানির নিচে তলিয়ে যান। বাগানের লোক এবং স্বজনদের প্রচেষ্টায় ছড়া থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁতী পরিবারের একটি পরিচয় ছিল, কিন্তু ঘটনার মূল কারণ নির্ণয়ের জন্য তদন্না চলছে। চোরাবালিতে আটকে গেলে আঘাত প্রাপ্ত হওয়া সম্ভব। রুদ্র তাঁতী বুঝতে পারছিলেন না যে একটি সাধারণ গোসল কীভাবে তার জীবন হারিয়ে দেয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সঞ্জয় বোনার্জী বলেন, রুদ্র তার বন্ধুদের সঙ্গে গোসলের জন্য ছড়ায় নেমেছিল। কিছু সময় পর তিনি পানির নিচে তলিয়ে যায়। তার বন্ধুরা খোঁজাখুঁজি করে তবু তাকে খুঁজে পায় নি। অবশেষে বাগানের লোকজন ও স্বজনদের প্রচেষ্টায় মৃতদেহ পাওয়া যায়।

স্থানীয় বিবরণ এবং ঘটনার প্রকৃতি

শ্রীমঙ্গল উপজেলার স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, ছড়াটি চোরাবালির জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল। গোসল করতে নেমে ছাত্রটি পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার পর তার স্বজন এবং পরিচিতদের খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়। তিনি প্রথমে মনে করেন যে ছাত্রটি পানি দ্বারা আঘাত প্রাপ্ত হয়েছিল কিন্তু কিছু সময় পর তার মৃত্যু ঘটে। শ্রীমঙ্গল এলাকায় বিশেষ �

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *