হবিগঞ্জ সদর উপজেলার শিশুদের ঝগড়া কেন্দ্র করে ঘটনা
শ শ দ র ঝগড ন য – হবিগঞ্জ সদর উপজেলার সুলতানশী এবং শরীফপুর গ্রামে শিশুদের ঝগড়া ঘটার পর সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। ঘটনাটি বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে সংঘটিত হয়। পুলিশ সূত্র অনুযায়ী, সাড়ে তিনটার দিকে দুই শিশুর মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। প্রথম দিনে এই ঝগড়ায় শুধু শিশুদের মধ্যে তুমুল তর্ক ঘটেছিল, কিন্তু সময় অতিক্রম করার সাথে সাথে তা গ্রামবাসীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। শিশুদের ঝগড়া সূত্রে দুই পক্ষের মাতৃপক্ষ এবং পরিবার সদস্যদের মধ্যে আরও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমান ঘটনাটি স্থানীয়দের প্রতি মনোনিবেশ করেছে এবং কার্যত দুই গ্রামের মধ্যে স্থায়ী বিরোধ তৈরি হয়েছে।
ঘটনার প্রাথমিক পরিচয়
হবিগঞ্জ সদর উপজেলার সুলতানশী এবং শরীফপুর গ্রামে শিশুদের ঝগড়া ঘটার পর সংঘর্ষ প্রায় দুই ঘণ্টা চলে। শিশুদের ঝগড়া কেন্দ্র করে পরিবারের মধ্যে মন্থন করা হয়। গ্রামের মানুষ দুই পক্ষ মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই গ্রামের পরিবার সদস্যদের মধ্যে ঘটে বিশৃঙ্খলা। সংঘর্ষের সময় অনেক মানুষ দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। ঘটনার কারণ হিসেবে শিশুদের ঝগড়া ধরা পড়েছে, কিন্তু তা সুলতানশী এবং শরীফপুর গ্রামের মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার আরও বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায় সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন দ্বারা জেএইচ সম্পাদনা করা হয়েছে।
আহতদের অবস্থা এবং স্থানীয় পরিস্থিতি
সংঘর্ষে অনেক মানুষ আহত হন। পুলিশ সূত্র অনুযায়ী, বালক-বালিকার ঝগড়া যার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে বিবাদ ঘটে। এই ঝগড়ায় দুই গ্রামের মধ্যে একটি উত্তেজনাপূর্ণ সংঘর্ষ ঘটে। পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনার স্থানে দুই পক্ষ মধ্যে প্রবেশ করে। তারা অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে সমস্যার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করেন। বিশেষ করে ঘটনার স্থানে আধুনিক হাসপাতালে অনেক মানুষ আহত হন। তাদের মধ্যে শিশুদের ঝগড়া প্রাথমিক কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
“আহতদের মধ্যে বেশির ভাগ শিশু ও বৃদ্ধ মানুষ আছেন। শিশুদের ঝগড়া এই সংঘর্ষের মূল কারণ ছিল।” হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদুল হক বলেন।
সংঘর্ষে আহতদের বিস্তারিত বিবরণ
শিশুদের ঝগড়া সূত্রে ঘটনার স্থানে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘটনার পরিস্থিতি প্রায় অসহনীয় হয়ে ওঠে। আহত মানুষের মধ্যে দুলাল (৩০), মকসুদ আলী (৫৫), ইমরান মিয়া (২২), কিসমত আলী (৪২), রিপন মিয়া (৩৮), ফয়েজ মিয়া (২৫), আমির আলী (৪৫), সাব্বির মিয়া (১৮), রোকন মিয়া (২২), জাহির মিয়া (২৫) এবং মোয়াজসহ (৪৫) মোট ২০ জনকে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় আহতদের চিকিত্সার জন্য আধুনিক হাসপাতালে গুরুতর ক্ষত বিস্ত