রামিসা হত্যা মামলায় আসামি পক্ষের আত্মপ্রমাণ ও প্রমাণ প্রদান চূড়ান্ত হয়েছে
র ম স হত য ক ষম – রাজধানীর পল্লবীতে একটি ঘটনার প্রতিবেদন বর্তমানে আসামি পক্ষের বক্তব্য ও সাক্ষ্য উপস্থাপন অবসান পাওয়ার পর আইনজীবী মুসা কালিমুল্যাহর একটি মন্তব্য ব্যাপক আলোচনার উপজীব্য হয়েছে। তিনি আসামি সোহেল রানার প্রতিবেদন প্রতি অবদান উল্লেখ করেছেন, যা সাধারণত দোষ স্বীকারের মর্যাদা পেয়েছে।
আদালতের পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারণ
বুধবার (৩ জুন) আদালতে শুনানি শেষ হয়েছে এবং আইনজীবী মুসা কালিমুল্যাহ সাংবাদিকদের বলেন, সোহেল রানার প্রতিবেদন বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে গণ্য হয়েছে। পরবর্তী কার্যক্রম বৃহস্পতিবার যুক্তিতর্ক শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
সাক্ষ্য প্রদান এবং অভিযোগের তথ্য বিস্তার
শুনানির শুরুতে বিচারক আসামি পক্ষের প্রতিবেদনে রামিসার বিষয়ে ঘটনার স্পষ্ট বিবরণ প্রদান করেন। তার মধ্যে বোধকরি বিষয়গুলি উঠে আসে যেমন ঘটনার শুরুতে খোঁজার প্রক্রিয়া, ফ্ল্যাট শনাক্ত করা, ঘরে রক্তের চিহ্ন এবং শিশু মরদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়া। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আসামি বলেন, আপনারা যা শুনেছেন তাই আমিও শুনেছি।
আমি নির্দোষ স্যার। স্যার, আমাকে মাফ করে দিন।
এরপর আসামি সোহেল রানা বলেন, ‘ডলারকে ধরেন। আমি অপরাধ করেছি। তাকেও ধরেন।’ এ সময় তার গায়ে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট এবং মাথায় হেলমেট ছিল।
স্বপ্না আক্তারের বক্তব্য ও তার অবস্থা
অন্য আসামি স্বপ্না আক্তার নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। তার ক্ষেত্রে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হেলমেট খোলা অবস্থায় রাখা হয়েছে। বিচারক তার সাক্ষ্য প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন।
মাননীয় আদালত আমি ভুল করেছি, আমাকে মাফ করেন।
আইনজীবী মুসা কালিমুল্যাহ বলেন, ‘ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার আওতায় আজকের শুনানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। আদালত আগামীকাল যুক্তিতর্ক শুনানি প্রস্তুত করেছেন।’
সোহেল রানার বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি ভুল করেছি। আমাকে মাফ করেন।’ এই বক্তব্য বর্তমানে আদালতের সামনে যুক্তিতর্ক শুরু হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার রায় প্রদানের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।