যমজ ভাই / হাম উপসর্গে ১৫ দিনের ব্যবধানে ফাহিমের পর চলে গেলো নোমান
যমজ ভাই / হাম উপসর্গে ১৫ দিনের ব্যবধানে ফাহিমের পর চলে গেলো নোমান যমজ ভ ই হ ম উপসর - যমজ ভাই / হাম উপসর্গে একটি শোচনীয় ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রামের মিরসরাই
যমজ ভাই / হাম উপসর্গে ১৫ দিনের ব্যবধানে ফাহিমের পর চলে গেলো নোমান
Bangladailypost.com – যমজ ভ ই হ ম উপসর – যমজ ভাই / হাম উপসর্গে একটি শোচনীয় ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায়, যেখানে দুই যমজ শিশু ফাহিম এবং নোমানের মৃত্যুর পর অবশেষে বিপর্যস্ত হতে হয়েছিল। দুই শিশুর মৃত্যুর মধ্যে সাত দিনের ব্যবধান ছিল, যা এই ক্ষেত্রে অনেকটা ভয়ঙ্কর হয়ে দেখা গেল। ফাহিম নামক শিশু বুধবার (৩ জুন) রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুর পর তার ভাই নোমান কয়েক দিন পর নিহত হন। এ ঘটনায় কোনও কিছুতে আশা পূরণ হয়নি।
যমজ শিশুদের মৃত্যুর সময়সূচী
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) বিভিন্ন কর্মীরা দুই শিশুকে হাম উপসর্গে টিকা দেওয়ার সময় একটি অপর্যাপ্ত পরিমাণ টিকা অব্যাহত রাখেন। তাদের বাবা হারুন উর রশিদ বলেন, বিভিন্ন কর্মীরা জানান যে টিকার সরবরাহ শেষ হয়ে গেছে। তার কারণে ছেলেদের টিকা দেওয়া সম্ভব হয়নি। ফাহিম অসুস্থ হয়ে পড়ে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে সে আট দিন কাটানোর পর মৃত্যুর সম্মুখীন হন। নোমান আট দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকার পর ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু হাসপাতালে সিট পেয়ে না থাকার কারণে শেষ পর্যায়ে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে নোমানও মৃত্যুর পর তার জীবনের অবসান ঘটে।
‘ফাহিম অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করায়। সেখানে আট দিন চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ফাহিমের মৃত্যুর পর ডাক্তাররা নোমানের অবস্থা খুব খারাপ বলে জানায়। তাকে দ্রুত ঢাকায় নিয়ে যেতে হয়। ঢাকায় বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরে ঘুরে সিট পেয়ে না থাকার কারণে শেষ পর্যায়ে আইসিইউতে ভর্তি করেন। সেখানে আট দিন অবস্থান করার পর নোমানও মারা যায়। মনে কোনো কিছুতে সান্ত্বনা পাওয়া যায় না।’
যমজ শিশুদের বাবা কিছু ঘটনা প্রত্যক্ষ দেখেছেন
যমজ শিশুদের বাবা হারুন উর রশিদ বলেন, তিনি আগে থেকে হাম উপসর্গে টিকা দেওয়ার সময় ছেলেদের নিয়ে উপজেলা কেন্দ্রে যান। কর্মীদের কাছে জানা যায় যে টিকার সরবরাহ শেষ হয়ে গেছে। তার কারণে ছেলেদের টিকা দেওয়া সম্ভব হয়নি। ফাহিম চমেক হাসপাতালে ভর্তি হন, কিন্তু কয়েক দিন পর তার মৃত্যু ঘটে। এর পর নোমান ঢাকায় নিয়ে যেতে হয়, কিন্তু অবস্থার খারাপ হওয়ায় তাকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনার প্রতি যমজ ভাই কর্মীদের কাছে বিশেষ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
যমজ ভাই পরিবারের প্রতি যে দুঃখ ছড়িয়ে পড়েছে তা অত্যন্ত গুরুতর। তাদের মৃত্যু হওয়ার সময় তাদের বয়স দেড় বছর। বাবা হারুন উর রশিদ অসুবিধা সম্পর্কে বলেন, টিকা দেওয়ার সময় ছেলেদের দুই জনের ক্ষেত্রে কোনও সুবিধা ছিল না। তার কারণে ব্যাধির জন্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের সেবা পেতে হয় না। ঘটনার পর কর্মীদের প্রতি বিশেষ করে সরকারের দুর্বলতা অনুভব করা হয়।
যমজ ভাই ছাড়া হাম উপসর্গে তিনটি শিশু সারা দেশে ম