News

বিয়ের প্রলোভনে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

বিয়ের প্রলোভনে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ব য় র প রল ভন ড - বিয়ের প্রলোভনে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ আনোয়া হাসপাতালে প্রবেশ

Desk News
Published June 1, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
og_1780328757_6a1da935cf1ce
Foto : Sandra Rodriguez - bangladailypost.com

বিয়ের প্রলোভনে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

Bangladailypost.com – ব য় র প রল ভন ড – বিয়ের প্রলোভনে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ আনোয়া হাসপাতালে প্রবেশ করেছিলেন আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বদলপুর গ্রামে বসবাসকারী এক যুবতী পরীক্ষার্থী নদী দাস। তাঁর মৃত্যুর ঘটনা হবিগঞ্জ জেলায় ভীড়ের সৃষ্টি করেছে এবং সমাজে দুর্বলতা হারিয়েছে। পরিবারের সদস্যদের মতে, নদী দাসকে বিয়ের আকাঙ্ক্ষায় অনুপ্রাণিত করে তাঁকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সোমবার (১ জুন) সকালে সদর আধুনিক হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু ঘটে।

বিয়ের প্রলোভন এবং ধর্ষণের ঘটনা

নদী দাস হল অজিত দাসের মেয়ে এবং এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। মায়ের মৃত্যুর পর তাঁকে তার স্বামী হিসেবে গৃহীত দিলিপ দাসের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি করে বিয়ে করার জন্য পরিবার তাঁকে বাধ্য করেছিল। যদিও নদী দাস বানিয়াচংয়ের সুনারু গ্রামে বাস করতে অস্বীকৃতি জানান, তার পর সেই বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ এবং শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। আপনাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সোমবার সকালে তাঁর মৃত্যু ঘটে।

ধর্ষণের পর শারীরিক কষ্ট দেওয়া হয় নদী দাসকে, যার ফলে তাঁর নাক-মুখ রক্তাক্ত হয়ে যায়। পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, দিলিপ দাস সেই প্রলোভনে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সমাজে এই ঘটনার প্রতি সমালোচনা চালু হয়েছে এবং বিয়ের প্রলোভন একটি মানসিক চাপের পরিচয় দিয়েছে।

তদন্ত এবং আইনগত ব্যবস্থা

বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ নাজমুল হক জানান, ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ধর্ষণ, হত্যা নাকি আত্মহত্যা—সব দিক বিবেচনা করে পুলিশ কাজ করছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিয়ের প্রলোভনে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের কারণে কেন্দ্রীয় হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়।

সদর আধুনিক হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আমিনুল ইসলাম সরকার জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে। কেএইচকে ও জেআইএম থেকে আবেদন করেছেন সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন। বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ এবং নির্যাতের পরিণামে নদী দাসের মৃত্যু ঘটে।

মানুষ বিয়ের প্রলোভনে ডেকে নিয়ে পরিবারের বাইরে চলে যাওয়া ছাত্রটি কেন হাসপাতালে প্রবেশ করেছিলেন, তার বিশ্লেষণ চলছে। দিলিপ দাস এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে মৃত যুবতীর পরিবারের পক্ষে কার্যকরী তদন্ত করা হচ্ছে। কেন্�

Leave a Comment