পিরোজপুরে পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ
প র জপ র প ক র – পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নে স্থানীয় কৃষকদের মাথায় একটি বিষম সমস্যা সৃষ্টি করেছে। এ পুকুরে বিষ দেওয়ার অভিযোগ উঠে এসেছে, যা মাছের চাষীদের জন্য অর্থনৈতিক আঘাত কাটাকাটি করেছে। বুধবার (১৫ মে) রাতে প্রথম নম্বর ওয়ার্ডে ঘটনাটি ঘটে। মোহাম্মদ ফজলুল হক আকন নামে একজন মাছ চাষী বলেন, তার সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের পাশে স্থানীয় পুকুরটি সম্পূর্ণ ভাবে বিষ দেওয়া হয়েছে এবং মাছগুলো সম্পূর্ণ নিধন হয়েছে। এটি তার জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজ করেছিল।
পুকুরে বিষ দেওয়ার প্রভাব
মাছ চাষ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে বিবেচনা করে তারা পাঙ্গাস, তেলাপিয়া, সিলভার কাপ, পুঁটি এবং দেশীয় অন্যান্য প্রকার মাছ চাষ করতেন। তার জীবিকা এবং অর্থনৈতিক প্রতিশ্রুতি এই পুকুরে নির্ভর করেছিল। তার কাছে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৫-৬ লাখ টাকা, যা তার মাছের চাষের জন্য সম্পূর্ণ মূল্য হিসেবে বিবেচিত হত। মাছগুলো বাজারে বিক্রির জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠতে চলছিল। কিন্তু এই ঘটনা তাদের লাভের পথ বিধারণ করেছে।
পুকুরটি স্থানীয় পরিবারগুলো এবং আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দাদের জন্য পানি সরবরাহের উপর ভর দিয়েছিল। প্রতিদিন তাদের জীবন এ পুকুর থেকে জল নিয়ে গুজিয়ে রয়েছিল। মুসল্লিরা ওয়ায়ু করেন এবং পানি সংগ্রহ করেন এই স্থানটি থেকে। বিষ প্রয়োগের পর থেকে পুকুরে প্রায় সম্পূর্ণ মাছ মারা গেছে। এটি স্থানীয় জনগণের প্রতিক্রিয়া উত্তেজিত করেছে।
অভিযোগ ও তদন্তের প্রক্রিয়া
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে পুকুরে বিষ দেওয়া হয়েছে, যার ফলে প্রচুর মাছ মৃত হয়েছে। ঘটনাস্থলে এ কার্য সংঘটিত হয়েছে এবং তদন্তের জন্য থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেন্সর করা হয়েছে পুকুরে বিষ দেওয়ার ঘটনা। গ্রাম পুলিশ আশীষ দর্জি জানান, এ পুকুরে বিষ দেওয়ার কারো নাম এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে তিনি বলেন, তদন্ত চালাচ্ছি এবং ঘটনাটি সামনে আনতে চেষ্টা করছি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এই বিষম কার্য ঘটে যাওয়ার পর থেকে পুকুরে প্রায় সম্পূর্ণ মাছ মারা গেছে।
আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছি। সেখানে দেখেছি এ পুকুরে বিষ দেওয়া হয়েছে এবং মাছগুলো সম্পূর্ণ নিধন হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া তাদের প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছেন। পিরোজপুরের পুকুর বিষ দেওয়া ঘটনাটি স্থানীয় সম্প্রদায়ের প্রতি ভয় সৃষ্টি করেছে।
এ ঘটনার পর থেকে মাছ চাষীদের মাথায় ধীরে ধীরে