News

পাহাড়খেকোদের ছোবলে নীল ‘নাগিন পাহাড়’

9673f93c-131f-4483-8dae-e58dcaf28179-0

পাহাড়-নদী-সাগরের অপূর্ব মেলবন্ধনের জেলা বন্দরনগরী চট্টগ্রাম

Bangladailypost.com – প হ ড়খ ক দ র ছ – চট্টগ্রাম বন্দরনগরী হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চলে নগরায়ণ বিপর্যয়ে ঐতিহ্য ধীরে ধীরে নষ্ট হচ্ছে। পাহাড়খেকোদের লালসায় বিলীন হচ্ছে সংখ্যালঘু পাহাড়। কেউ কাটছে কৌশলে, কেউ দিনদুপুরে। বন্দরনগরীর একটি স্থান বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন চন্দ্রনগর এলাকার নাগিন পাহাড়।

সময়ের প্রবাহে পাহাড়টির চারপাশে বিস্তার লাভ করেছে অসংখ্য বিল্ডিং। অট্টালিকা গড়ে উঠছে পাদদেশে। কেউ কেউ প্লটে আবাসনের জন্য নির্মাণ শুরু করেছে। এতে নাগিন পাহাড়ের স্থান ধীরে ধীরে কমে আসছে। পরিবেশ ও প্রতিবেশ একত্রে ভারসাম্য হারাচ্ছে।

বায়েজিদ থানার সামনে রয়েছে একটি রিকশা গ্যারেজ। গ্যারেজে ইট-পাথর মেরামত করছিলেন আবুল কাশেম। কথা হলে তিনি বলেন, ‘আমি এখানে এসেছি ১০-১২ বছর। পাহাড়ের চারপাশে মাটি পড়ে ছিল। মাটি সরিয়ে স্থানীয়রা চলাচলের রাস্তা করেছে।’

এই স্থানের মাটি সরানো এবং নতুন অট্টালিকা গড়ে উঠতে দেখা যায়। সম্পূর্ণ ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে পাহাড়ের ওপর। তবে কেউ কেউ ওপরের অংশে প্রস্তুতি নেয়া ছাড়া স্থাপনা করতে পারেন না। অতীতে সেখানে মাটি থেকে ইট তৈরি হতো। পুরো এলাকায় টিলা ছিল। এখন সেগুলো হারিয়ে গেছে।

চন্দ্রনগর এলাকায় ৪০ বছর ধরে বসবাস করছেন দেলোয়ার হোসেন। কথা হলে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘১৭টি ইটভাটা ছিল। পুরো এলাকায় অসংখ্য টিলা ছিল। মাটি দিয়ে ইট তৈরি করা হতো। ফখরুদ্দিন সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করার পর সব ইটভাটা বন্ধ করে দেয়। ওইসব জায়গায় অসংখ্য অট্টালিকা উঠে গেছে।’

ইটভাটার মালিকানার বিষয়ে বর্ণনা

ইটভাটার কাটা বা পরিবর্তন করার জন্য সবার আগে লিখিত অনুমতি প্রয়োজন। পাহাড় ও টিলা কাটার ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। সিডিএ ও রাজউকের অনুমতি ছাড়া কোনো স্থাপনা নির্মাণ অবৈধ। এই বিধিমালার অনুযায়ী স্থানে কাটার প্রমাণ পেয়ে সাংবাদিক মহিউদ্দিন আরিফকে নোটিশ দিয়ে শুনানিতে ডাকা হয়।

অনুমোদন ছাড়া যে কোনো স্থাপনা করলে তা অবৈধ হয়ে যায়। অতিরিক্ত কাজ হলে কেবল জেল ও জরিমানা দেয়া হয়। এই সুযোগে চট্টগ্রাম পাহাড়শূন্য হয়ে যেতে পারে। পাহাড় কাটার প্রমাণ ছিল গত ১ জুন।

আইনের বিধি অনুযায়ী নির্মাণ নিষিদ্ধ

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) অনুযায়ী পাহাড় ও টিলা কাটা বা রূপান্তর করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পরিবেশ ছাড়পত্র নিয়ে স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ রয়েছে। সিডিএ ও রাজউকের জনবল সংকট রয়েছে। তারা ভবন নির্মাণে অনুমোদন দিলেও পাহাড় �

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *