গাজীপুরের আলোচিত ৫ খুন মামলার আসামি মরদেহ উদ্ধার
গ জ প র র আল চ – গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, শ্যালক ও তিন সন্তানসহ পাঁচ জন নিহতের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মোল্লা (৪০) এখন মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মা নদী থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) বেলা আড়াইটার দিকে উপজেলার ঘোড়দৌড় বাজারের পাশে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস দ্বারা উদ্ধার করা হয়।
মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, পদ্মা সেতু থেকে নিখোঁজ ফোরকানের তথ্য পেয়ে সরকারি চিঠি দেওয়া হয়। আবিষ্কারের পর চিঠির সূত্রে নদী ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সামনে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। লৌহজংয়ের মাওয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ইলিয়াস আরও জানান, স্থানীয় লোকজনের খবরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে গাজীপুর কাপাসিয়ায় খবর পাঠানো হয় এবং মামলার বাদী, পরিবার ও তদন্ত কর্মকর্তারা মরদেহটিকে ফোরকানের বলে ধারণা করেন।
মরদেহ পরিচয় নিশ্চিত করা হচ্ছে
নৌপুলিশের কর্মকর্তা আরও বলেন, মরদেহটি কিছু দিন পানিতে থাকায় অর্ধ-গলিত হয়ে গেছে। তাই পুরোপুরি পরিচয় নিশ্চিত করতে আঙুলের ছাপ নেওয়ার চেষ্টা চলছে। যদি তা সম্ভব না হয় তবে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করা হবে।
ফোরকান মোল্লার পরিবারের সদস্য ও তদন্ত কর্মকর্তা মরদেহটিকে অভিযুক্ত ফোরকানের বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করেন।
গত সোমবার (১১ মে) মেহেরপুরে একটি যাত্রীবাহী বাসের হেলপার কাছ থেকে ফোরকানের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে হেলপার জানান, ফোনটি তিনি পদ্মা সেতুতে কুড়িয়ে পেয়েছিলেন। এই সূত্রে পুলিশ সিসি টিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে। ফুটেজে দেখা যায় এক ব্যক্তি প্রাইভেট কার থেকে মোবাইল ফোনটি ফুটপাতে রাখেন এবং দু-তিন মিনিট অপেক্ষা করে নদীতে লাফ দেন। পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন বলেন, এই ভিডিওতে দেখা যায় ফোরকানের আত্মীয় মারা যাওয়ায় তিনি সেখানে যাচ্ছেন বলে চালকে জানান।
পুলিশ আরও জানায়, ৯ মে হত্যাকাণ্ডের পর তিনি গ্রেফতারের জন্য তিনটি দল অভিযানে নামেন। গোপালগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে এবং বেনাপোলে সীমান্ত পার হতে না পারার জন্য দল পাঠানো হয়। কিন্তু উদ্ধার করা মোবাইলটি ফোরকানের বলে নিশ্চিত হয়। আসামি ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা এখনও পাওয়া যায়নি।
সূত্রে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে
গত শনিবার (৯ মে) সকালে কাপাসিয়ার রাউৎকোনা গ