News

ঈদের পরদিন ঢাকায় কমেছে ইলিশ-শসার দাম

og_1780048371_6a1961f3e9f80

ঈদের পরদিন ঢাকায় কমেছে ইলিশ-শসার দাম

Bangladailypost.com – ঈদ র পরদ ন ঢ ক য় – ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার পর ঢাকার মূল কাঁচাবাজারে নিত্যপণ্য বিক্রি কমেছে। যাত্রাবাড়ীর বিভিন্ন বাজারে প্রয়োজনীয় সবজি, মাছ ও ফলের বেশ কিছু দোকান খোলা পাওয়া গেছে, কিন্তু সম্পূর্ণ আড়তে কোনও ক্রেতা দেখা গেছে না। আগের দিনে প্রচুর ক্রেতা ছিল না বলে কিছু জিনিসপত্রের দাম কমেছে।

তার মধ্যে পলাশ নামে এক বাজারের চালান বিক্রেতা জাগো নিউজকে বলেন, ঈদের পর সবজি দামে উল্লেখযোগ্য কমতি হয়েছে। আগে কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা ৭৫ থেকে ৮০ টাকায় নেমেছে। তিনি আরও বলেন, টমেটোর দাম স্থির রয়েছে কেজি প্রতি ৯০-১০০ টাকা। শসার দাম কেজি প্রতি ৪০ টাকা কমে ৫০-৬০ টাকায় নেমেছে।

অন্যদিকে পাইকারিতে পরিবর্তন হয়নি। কাঁচা আম বড়-ছোট আকার অনুযায়ী ১৪০-১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লেবু আগে ২০-২৫ টাকা হালি বিক্রি হলেও এখন তা ১৫-২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। তবে কিছু পণ্যের দাম বাড়তে পারে। বলেন তিনি, বাজারে পণ্যের সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও ক্রেতা সংখ্যা কম।

লিচু দাম বেড়েছে বলে জানালেন বিক্রেতা

তিনি বলেন, ঈদের আগে লিচু দাম ছিল ২২০০ টাকা। এখন দাম ৩৬০০ টাকা হয়েছে। কিন্তু হিমসাগর আম কেজি প্রতি ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নিম্নমানের আম কেজি প্রতি ৫০-৬০ টাকায়ও পাওয়া যাচ্ছে।

ঈদের সময় ক্রেতার সংখ্যা বেশি হওয়ায় মাছের চাহিদা কমে যায়। যাত্রাবাড়ী বাজারে গলদা চিংড়ি কেজি প্রতি ১১০০-১২০০ টাকায় স্থির রয়েছে। তবে ইলিশের দাম কমেছে। স্বপন চন্দ্র দাস নামে এক বিক্রেতা জানান, ঈদের দুদিন আগে ইলিশ প্রতি কেজি দাম ছিল ২২০০-২৩০০ টাকা, এখন তা ১৬০০-১৮০০ টাকায় নেমেছে।

ঈদের পর কোনো মানুষ নেই বলে কামরুল নামে এক বাজারের চালান বিক্রেতা জানান, বাজারে ক্রেতা কম এবং মাছের চাহিদাও কম হওয়ায় দাম কমার অন্যতম কারণ। এই সময়ে অনেক বিক্রেতা আগের মজুত করা পণ্য দ্রুত বিক্রি করছেন বলে কিছু জিনিসপত্রের দাম কমিয়েছে।

এখন ঈদের পর গলদা চিংড়ি কেজি প্রতি ১৬০০ টাকা হাঁকছে। স্বপন চন্দ্র দাস বলেন, ঈদের পর মাছের দাম একটু বেড়েছে বলে আছে। আগে বাজারে প্রতি কেজি গলদা চিংড়ি কেজি প্রতি ১১০০-১২০০ টাকায় বিক্রি হত।

অন্যদিকে বাগদা চিংড়ি কেজি প্রতি ৮০০-৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আড়তের পাবদা মাছ বিক্রেতা জুয়েল জাগো নিউজকে বলেন, ঈদের আগে মাছের আমদানি ছিল বেশি। কিন্তু এখন কাস্টমার কম, মাছের আমদানিও কম হওয়ায় দাম বেড়েছে। ঈদের আগে কেজি প্রতি ৩২০ ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *