ঈদের আনন্দেও জন্মভূমির শূন্যতা রোহিঙ্গাদের মনে
ঈদ র আনন দ ও জন মভ – ঈদুল আজহার উপলক্ষে উখিয়া ও টেকনাফের ক্যাম্পগুলোতে আনন্দের ছায়া ছিল, কিন্তু স্বজন ও জন্মভূমি হারানোর কষ্ট তাদের মনে ছিল। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় সংস্থার সহায়তায় অনেক পরিবার কোরবানির মাংস পেয়েছেন। শিশুদের মধ্যেও ছিল সুখের আনন্দ তবে মনে ছিল একটি অপরিহার্য কষ্টের ছাপ।
কুতুপালং ক্যাম্পের বাসিন্দা রোহিঙ্গা নারী আসমা বেগম বলেন, এবারও ক্যাম্পে নিরাপদে ঈদ করেছি। কিন্তু নিজের দেশে পরিবারের সবাইকে নিয়ে ঈদের আনন্দ এখানে নেই। সবসময় মনে হয় অতিথির মতো জীবন কাটাচ্ছি।
টেকনাফের উনচিপ্রাং ক্যাম্পের বাসিন্দা রোহিঙ্গা যুবক আবদুস সালাম বলেন, এখানে ঈদের আনন্দ সীমিত। কাজ নেই, ভবিষ্যৎ নেই। এরপরও পরিবারকে হাসিখুশি রাখার চেষ্টা করি। কিন্তু মিয়ানমারে ফিরে স্বাধীনভাবে ঈদ করার স্বপ্ন এখনো বুকের মধ্যে আছে।
এখনো বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্মভূমির স্মৃতি ভুলতে পারছেন না। তাদের মনে আছে মিয়ানমারে নিজ গ্রামের মসজিদে ঈদের জামাতের ছায়া। ক্যাম্পে দুর্গত অবস্থায় জীবন কাটার কথা ছিল।
রোহিঙ্গা নারী জমিলা খাতুন বলেন, ক্যাম্পে সাহায্য পাই, খাবার পাই। কিন্তু জন্মভূমির মাটি তো আর পাওয়া যায় না। ঈদের দিনে পুরোনো স্মৃতি বেশি কষ্ট দেয়।
ঈদের পরিবেশে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় ক্যাম্পে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রয়েছে। তবে রোহিঙ্গাদের অধিকাংশই মনে করছেন মানবিক সহায়তা পেলেও নিজ দেশে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তন ছাড়া বিকল্প নেই। ঈদের আনন্দের মাঝেও তাদের চোখে মুখে ছিল অনিশ্চয়তার ছাপ।
উনচিপ্রাং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের হেড মাঝি মোহাম্মদ রফিকউল্লাহ বলেন, মিয়ানমার জান্তা বাহিনীর নির্যাতনের মুখে ২০১৭ সালে রাখাইন ছেড়ে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছি। কিন্তু এখনো প