সব নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রবিন্দু হতে হবে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ
নীতি নির্ধারণের ভিত্তি জাতীয় স্বার্থে নির্ভর করবে
সব ন ত ন র ধ রণ – বাংলাদেশের সব নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রবিন্দু হতে হবে দেশের জাতীয় স্বার্থের উপর। এ বিষয়ে আলোচনা সভায় প্রধান কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি জানান, দেশের জনগণের মতামত ও আকাঙ্ক্ষা আমাদের প্রতিটি নীতি কর্মকান্ডের মূল উৎস হতে পারে। তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থের প্রতি অগ্রাধিকার দিয়ে বাংলাদেশ সার্ক ও জাতিসংঘের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার জাতিগুলোর সাথে সমন্বয় বজায় রাখতে পারে। এ আলোচনা সভার আয়োজন করেছে জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠী ‘আমরা বাংলাদেশি’।
স্বপন আরও উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশের রাষ্ট্রচিন্তা এবং রাজনৈতিক প্রবাহ দেশের বৈশিষ্ট্য ও অবস্থান নির্ধারণ করে থাকে। তিনি বলেন, জনগণের অভিজ্ঞতা ও আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে নীতি নির্ধারণ করলে দেশের স্বার্থ আরো শক্তিশালী হবে। এটি সর্বদা প্রাথমিক প্রাধান্য দিয়ে আমাদের বৈশিষ্ট্যগুলো রক্ষা করতে হবে।
জাতীয় স্বার্থের মূল ভিত্তি হতে হবে দেশের ইতিহাস ও বর্তমান
বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এবং স্বকীয়তার মূল ভিত্তি হতে হবে দেশের ইতিহাস ও বর্তমান পরিস্থিতির উপর। স্বপন জানান, দেশের শাসন ক্ষমতা নীতি নির্ধারণে কোনও কেন্দ্রবিন্দু ছাড়া সংঘটিত হতে পারে না। আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ সার্ক ও জাতিসংঘের মাধ্যমে আমাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনাগুলো সম্পূর্ণ ভাবে ব্যবহার করতে হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের নীতি নির্ধারণে কোনও বিশ্ববিদ্যালয় বা বিশেষজ্ঞের কথা বিবেচনা করতে হবে না, কারণ সব নীতিনির্ধারণ হবে জাতীয় স্বার্থের প্রতি অগ্রাধিকারে।
আলোচনা সভার প্রধান আলোচকদের তালিকা
আলোচনার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সৈয়দ এহসানুল হুদা। তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেয়া হবে কারণ এটি সর্বোচ্চ মূল্যবান। এ আলোচনায় প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, বাংলাদেশের নীতি নির্ধারণে আমাদের বিশ্বাস করতে হবে এটি জাতীয় স্বার্থের দিকে সরাসরি গুরুত্ব দিয়ে করা হবে। সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম আরও বলেন যে নীতি কর্মকান্ড দেশের জনগণের মতামতের উপর ভিত্তি করে হবে সব নীতিনির্ধা�