চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা দূর করতে নতুন পরিচালনা শুরু
ম য়র শ হ দ ত চট – সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ঘোষণা করেছেন যে চট্টগ্রাম নগরী স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতামুক্ত করার জন্য একটি একত্রিত পরিচালিত ক্রম চালু করা হয়েছে। তিনি বলেন যে খাল খনন, অবৈধ দখল দূর করা, বর্জ্য পরিচালনার উন্নতি ও নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি করে স্বচ্ছ ও বাসযোগ্য নগর গঠন করা হবে।
রসুলবাগ খালে কাজের উদ্বোধন
মঙ্গলবার (১৬ জুন) রসুলবাগ খালের খননকাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মেয়র এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। প্রতি বছর শুরু হওয়া বিশেষ খাল খনন অভিযানের অংশ হিসেবে বর্ষা মৌসুমের আগে নগরী সুষ্ঠু রাখার লক্ষ্যে চসিক এই কাজ করছে।
“প্রতিটি খাল পুরো পরিষ্কার করতে ১৫ দিন থেকে এক মাস বা তার বেশি সময় প্রয়োজন। খনন কাজের আগে এবং শেষে ছবি সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত কর্মকর্তারা
সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এবং মেয়রের জলাবদ্ধতার উপদেষ্টা শাহরিয়ার খালেদ।
খালের সংখ্যা ও সমস্যাগুলি
চসিক প্রায় ৪০টি খাল পরিষ্কার ও পুনরুদ্ধারের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এ কাজের প্রথম ধাপে চারটি খাল বিশেষ ভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। গোলজার খাল, গোসাইলডাঙ্গা এলাকার একটি খাল, দক্ষিণ আগ্রাবাদের নাসির খাল এবং হালিশহর বন্দর এলাকার বড় খাল এগুলির মধ্যে রয়েছে।
বর্জ্য পরিচালনার অবস্থা
মেয়র বলেন যে নগরে প্রতিদিন তিন হাজার ২০০ মেট্রিক টন বর্জ্য উৎপন্ন হয় কিন্তু বর্তমানে দুই হাজার ৬০০ মেট্রিক টন বর্জ্য সংগ্রহ করা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন যে বর্জ্য পরিচালনার দুর্বলতা জলাবদ্ধতার প্রধান কারণগুলির মধ্যে একটি।
দায়িত্ব ও সহযোগিতা
তিনি জানান যে শুধু করপোরেশনের কাজ ছাড়া নগরী পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়। তাই নাগরিকদের দায়িত্ব পালনের প্রতি আহ্বান জানান হয়েছে। রাস্তায় ময়লা ফেলা বন্ধ করতে হবে এবং সবাই স্থায়ী পরিচ্ছন্নতা সাধন করতে হবে।
প্রসঙ্গত মেয়র এ লক্ষ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান যে গত কয়েক বছরে পরিচালিত বিভিন্ন প্রকল্পের ফলে নগরের জলাবদ্ধতা বেশি কমেছে। অবশিষ্ট সমস্যাগুলি সমাধানের জন্য কাজ চলছে।