সংসদে মন্ত্রী ঘোষণা করেন প্রকৃত জেলেদের নতুন তালিকা প্রস্তুতের পরিকল্পনা
প রক ত জ ল দ র – প্রকৃত জেলেদের নতুন তালিকা প্রস্তুতের পরিকল্পনা সরকারের কাছে উপস্থিত হয়েছে বলে জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। রোববার (২১ জুন) জাতীয় সংসদে পাবনা-৫ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুলের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য দেন। মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে বর্তমানে দেশে প্রকৃত জেলেদের সংখ্যা সঠিকভাবে মাপা হচ্ছে না, সেই কারণে নতুন তালিকা তৈরি করার প্রয়োজন দেখা যাচ্ছে।
বিলুপ্ত জলাশয়গুলি পুনরুত্থানের লক্ষ্যে কার্যক্রম চালু হয়েছে
মন্ত্রী ব্যবস্থাপনা দ্বারা প্রকৃত জেলেদের তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানান। তিনি বলেন, সরকার জলাশয়গুলি পুনরুত্থান করার জন্য বিশেষ প্রকল্প প্রণয়নের কাজ চলছে, যা মাছ চাষের আওতায় আনতে পারে। এই প্রকল্পের ফলে প্রকৃত জেলেদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দেশের মৎস্য উৎপাদন শীলতাও বৃদ্ধি পেতে পারে। বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত জেলেদের সংখ্যা প্রায় ১৮ লাখ তিন হাজার ৫৬৫ জন। তার মধ্যে অনেকের জেলেদের নিবন্ধন প্রকৃত জলাশয়ে অবস্থিত নয় বলে আরও অনেক পরিবর্তন দরকার হয়েছে।
সঠিক তালিকা গঠনের মাধ্যমে পরিচালনা উন্নয়নের লক্ষ্য
মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে নতুন প্রকৃত জেলেদের তালিকা গঠন করে মাছ চাষ ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম অনেক পরিমাণে উন্নয়ন করা সম্ভব। তিনি বলেন, বর্তমান ব্যবস্থার অভাব পরিচয়পত্র প্রদান করা সম্ভব হয়নি। প্রকৃত জেলেদের নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং এর মাধ্যমে দেশের প্রতিটি জলাশয়ে জেলেদের সঠিক হালনাগাদ করা হবে।
তিনি আরও বলেন যে জেলেদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন করে পরিচালনা কার্যক্রমে সহজতর হবে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জেলেদের সংখ্যা অনুযায়ী সম্পদ বিভাজন করা সম্ভব হবে। এটি জেলেদের পরিবারের উপর ভারসাম্য বিতরণ করতে সহায়তা করবে।
“জেলে নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র প্রদান নির্দেশিকা-২০১৯” অনুযায়ী সারাদেশে জেলেদের তালিকা যাচাই-বাছাই ও হালনাগাদের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রকৃত জেলেদের নিবন্ধন কার্যক্রমটি চলমান রয়েছে। বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা প্রায় ১৮ লাখ তিন হাজার ৫৬৫ জন। প্রকৃত জেলেদের তালিকা প্রস্তুতের পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিবর্তন ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।”
সরকার প্রকৃত জেলেদের নতুন তালিকা প্রস্তুত করার জন্য বিভিন্ন অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম চালু করেছে। তিনি বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিলুপ্ত ও পরিত্যক্ত জলাশয়গুলি পুনরুত্থানের সুযোগ থাকবে। প্রকৃত জেলেদের হালনাগাদ করা হবে যাতে মৎস্য উ