National

পরিচ্ছন্নতার সংস্কৃতি পরিবার থেকেই শুরু করতে হবে: মেয়র শাহাদাত

পর চ ছন নত র স স - চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মঙ্গলবার (২১ জুলাই) একটি গুরুত্বপূর্ণ সভায় বক্তব্য রাখেন। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের

Desk National
Published July 21, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Richard Moore - bangladailypost.com
Table of Contents
  1. পরিচ্ছন্ন চট্টগ্রাম গড়তে নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণ জরুরি: মেয়র
  2. Related SEO Topics
  3. Frequently Asked Questions

পরিচ্ছন্ন চট্টগ্রাম গড়তে নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণ জরুরি: মেয়র Bangladailypost.com – পর চ ছন নত র স স – চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা.

পরিচ্ছন্ন চট্টগ্রাম গড়তে নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণ জরুরি: মেয়র

Bangladailypost.com – পর চ ছন নত র স স – চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মঙ্গলবার (২১ জুলাই) একটি গুরুত্বপূর্ণ সভায় বক্তব্য রাখেন। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে ‘পরিচ্ছন্ন করি নগর-গ্রাম, গড়ি নান্দনিক চট্টগ্রাম’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন যে, শুধুমাত্র সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; প্রতিটি নাগরিকের সচেতন অংশগ্রহণের মাধ্যমেই ডেঙ্গুমুক্ত ও সুন্দর চট্টগ্রাম গড়ে তোলা সম্ভব।

একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ, স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ চট্টগ্রাম গড়তে হলে পরিবর্তন শুরু করতে হবে নিজের ঘর থেকেই।

জেলার সরকারি দপ্তরগুলোতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, কর্মপরিবেশ উন্নয়ন ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ কর্মসূচি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত প্রস্তুতিমূলক এই সভায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও এই সভায় যোগ দেন।

নাগরিক দায়িত্ববোধ ও পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, একটি সমাজ বা রাষ্ট্রকে পরিবর্তন করতে চাইলে পরিবর্তনটা আগে নিজের ভেতর থেকেই শুরু করতে হবে। তিনি প্রতি শনিবার অন্তত এক ঘণ্টা সময় দিয়ে নাগরিকদের নিজেদের বাসা, আঙিনা, ছাদ ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার পরামর্শ দেন। তিনি মনে করেন, এই অভ্যাসটি পালন করলে একটি পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক চট্টগ্রাম গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস শিশুদের ছোটবেলা থেকেই গড়ে তুলতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই লক্ষ্যে সিটি করপোরেশনের স্কুলগুলোতে ‘স্কুল হেলথ স্কিম’ চালু করা হয়েছে। সেখানে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, নির্দিষ্ট স্থানে মল ফেলার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও ডেঙ্গু পরিস্থিতি

মেয়র জানান, চট্টগ্রাম নগরে প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার ২০০ মেট্রিক টন বর্জ্য উৎপন্ন হলেও সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ২০০ মেট্রিক টন। অবশিষ্ট প্রায় এক হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য বিভিন্নভাবে খাল, নালা ও উন্মুক্ত স্থানে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। যা জলাবদ্ধতা, পরিবেশ দূষণ এবং কর্ণফুলী ও হালদা নদীর জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নাগরিকদের মধ্যে সিভিক সেন্স বা নাগরিক দায়িত্ববোধ তৈরি করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে গণপরিবহন পর্যন্ত যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার প্রবণতা বন্ধ না হলে পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে জনসচেতনতা প্রয়োজন মন্তব্য করে মেয়র বলেন, এডিস মশার লার্ভা জন্ম নিতে মাত্র ২ থেকে ৩ মিলিলিটার স্বচ্ছ পানিই যথেষ্ট। তাই বাসার ছাদ, ফুলের টব, ডাবের খোসা, পরিত্যক্ত পাত্র বা যে কোনো স্থানে তিন দিনের বেশি পানি জমে থাকতে দেওয়া যাবে না।

পরিচ্ছন্নতা কোনো একদিনের কর্মসূচি নয়, এটি একটি জীবনাচরণ। আমরা যদি পরিচ্ছন্নতাকে অভ্যাসে পরিণত করতে পারি, তাহলে একটি ডেঙ্গুমুক্ত, স্বাস্থ্যকর, নিরাপদ ও নান্দনিক চট্টগ্রাম গড়ে তোলা সম্ভব হবে। তিনি জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগরে ২২৯ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি, যা অত্যন্ত ইতিবাচক। তবে উপজেলাগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। তাই এখনই সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

নতুন উদ্যোগ ও আন্তর্জাতিক প্রকল্প

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর ‘ক্লিন, গ্রিন, হেলদি অ্যান্ড সেফ সিটি’ স্লোগান নিয়ে কাজ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে নগরজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ৪১টি ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ১১টি মাঠ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া নাগরিক অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য একটি আধুনিক ডিজিটাল অ্যাপও চালু করা হয়েছে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামে বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস, বিদ্যুৎ ও গ্রিন ডিজেল উৎপাদনের লক্ষ্যে কোরিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য, জাপানসহ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে হালিশহর ও আরেফিন নগর ল্যান্ডফিলকে পরিবেশবান্ধব রূপ দিতে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Frequently Asked Questions

Apa itu পর চ ছন নত র স স?

পর চ ছন নত র স স adalah topik utama yang dibahas di artikel ini dengan konteks praktis agar pembaca memahami informasinya dengan jelas.

Mengapa পর চ ছন নত র স স penting?

পর চ ছন নত র স স penting karena membantu pembaca membandingkan pilihan, menghindari kesalahan umum, dan mengambil keputusan yang lebih tepat.

Bagaimana cara memakai panduan পর চ ছন নত র স স ini?

Gunakan poin utama, contoh, dan tautan terkait di halaman ini sebagai rujukan awal, lalu cek detail terbaru sebelum mengambil keputusan final.

Leave a Comment