আইআরজ স র ম স ইল: জর্ডানে আকাবা বন্দরে মার্কিন বিমান ধ্বংসে আইআরজিসির মিসাইল হামলা
আইআরজ স র ম স ইল হ – আইআরজ স র ম স ইল নামক সংগঠন গত দিন জর্ডানের আকাবা বন্দরে একটি গুরুত্বপূর্ণ মিসাইল হামলা চালায়। এই হামলার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের দুইটি মূল বিমান, যথা: C-17 পরিবহন বিমান ও P-8 কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ বিমান ধ্বংস হয়েছে বলে আইআরজিসি ঘোষণা করেছে। ঘটনাটি বিশেষ করে আইআরজিসির বৈধতা ও বিমানবন্দরের ভূমিকা নিয়ে আলোচনার উপক্রম করেছে।
অপারেশন নাসর-২ এর বিস্তার ও আকাবা বন্দরের অবস্থা
আইআরজিসি ঘোষণা করেছে যে এই হামলার পিছনে অপারেশন নাসর-২ রয়েছে, যা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরিচালনার জন্য জর্ডানের কিছু নাগরিকের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়েছিল। গোপন তথ্যের অনুসারে, আগের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে আল-আজরাক ঘাটিতে ২০টি মার্কিন আশ্রয়কেন্দ্র ধ্বংস হয়েছিল এবং ডজনখানেক মার্কিন সৈন্য নিহত হয়েছিল। আইআরজিসি এই হামলাকে একটি স্থায়ী প্রতিরোধের প্রমাণ হিসেবে দেখছে, যা পশ্চিম তীরে বিশেষ করে আইআরজ স র ম স ইল কর্মীদের ক্রমাগ্রাহী অপারেশনের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া প্রদান করেছে।
“যুক্তরাষ্ট্রের দখলে থাকা মার্কিন সেনাবাহিনী গত কয়েক দশকে ১০টিরও বেশি ইসলামি দেশে হামলা চালিয়েছে, লাখো মুসলিমকে হত্যা করেছে। গাজায় ফিলিস্তিনিদের গণহত্যা এবং পশ্চিম তীরে শিশু হত্যাকারী জায়নবাদী শাসনের প্রধান সমর্থক যুক্তরাষ্ট্র। ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী তারা ‘মাহদুর আল-দাম’ (যাদের হত্যা করা বৈধ) এবং বিশ্বের যেখানেই সুযোগ পাবে তাদের উপর প্রত্যেক মুসলমানের উচিত এই হত্যাকারীদের হত্যা করা।”
হামলার স্থানীয় প্রতিক্রিয়া এবং আইআরজিসির পরিকল্পনা
আইআরজিসি সাধারণত অপারেশন নাসর-২ পরিচালনার জন্য জর্ডানের ক্ষেত্রে বিশেষ করে আকাবা বন্দরে তথ্য সংগ্রহ ও সমর্থন অনুমোদন করেছে। হামলার সামনে জর্ডান সরকার এবং জনগণ বৈধ কর্মকান্ড হিসেবে এই ঘটনাকে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, আইআরজ স র ম স ইল এর হামলা বাহিনী বিশ্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুদ্ধ সংক্রান্ত ক্ষমতা বিস্তারে প্রতিযোগিতা করছে এবং সম্ভবত সম্প্রতি আকাবা বন্দরের গুরুত্ব কেন্দ্র করে এই প্রতিক্রিয়া হয়েছে।
আইআরজ