পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা সাত লাখ টাকা মালিককে হস্তান্তর করেছে পুলিশ
পর ত যক ত অবস থ য় – পর ত যক ত অবস থ য় একটি সাংবাদিক ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশের শাহজাহানপুর থানার সদস্যদের কাজ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেয়া হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) সকালে সাত লাখ টাকা উদ্ধার করা হয় এবং আদালতের নির্দেশে টাকার মালিকানা প্রকৃত মালিক কাজী শহিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এই নির্দেশ অনুসারে স্থানীয় থানায় টাকার মালিককে প্রমাণ ও তদন্তের ভিত্তিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন এ ঘটনার বিবরণ নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সাত লাখ টাকা উদ্ধার করা হয় এবং পুলিশ তার জব্দ তালিকাসহ বিজ্ঞ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। পর ত যক ত অবস থ য় এই টাকার মালিকানা স্থাপনের জন্য পুলিশ যথাযথ কাজ করেছে বলে তিনি জানান।
টাকা উদ্ধার এবং মালিকানা স্থাপনের প্রক্রিয়া
পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা সাত লাখ টাকা পর ত যক ত অবস থ য় বিশেষ আকর্ষণ করেছে। বুধবার সকালে শাহজাহানপুর থানার সদস্যরা উদ্ধার করা টাকাকে প্রমাণ হিসেবে প্রস্তুত করে আদালতে হস্তান্তর করে। আদালতের নির্দেশে পুলিশ তালিকার সাথে টাকার মালিককে চিহ্নিত করে এবং তার কাছে হস্তান্তর করে। কাজী শহিদুল ইসলাম এই বিষয়ে স্বীকৃতি জনায় এবং টাকার পুনরায় মালিকানা স্থাপন করা হয়। তিনি নিশ্চিত করেন যে পরিত্যক্ত অবস্থায় টাকার স্থিতি তদন্তের মাধ্যমে স্থির করা হয়েছে এবং পর ত যক ত অবস থ য় তার মালিকানা স্থাপনের প্রক্রিয়া কার্যকর হয়েছে।
আদালত পর ত যক ত অবস থ য় পুলিশের প্রতিবেদন গ্রহণ করে এবং টাকার মালিকানা স্থাপনের নির্দেশ দেয়। পুলিশ তখন সাত লাখ টাকা কাজী শহিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করে যা আইনের কাছে সঠিক হয়েছে। এটি নিশ্চিত করে যে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্পদ প্রকৃত মালিকের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
পরবর্তী সপ্তাহে সবুজবাগ থানার উত্তর বাসাবো প্রেস গলি এলাকার বাসিন্দা কাজী শহিদুল ইসলাম (৪৮) শাহজাহানপুর থানায় উপস্থিত হন এবং টাকার মালিকানা দাবি করেন। এখানে পুলিশ তাঁকে আইনি প্রক্রিয়া পূরণের জন্য বিজ্ঞ আদালতে শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেয়। কাজী শহিদুল ইসলাম পরিত্যক্ত অবস্থায�