National

এনসিটি-সিসিটি ইজারার উদ্যোগ বন্ধের দাবি বন্দর রক্ষা কমিটির

বন্দর রক্ষা কমিটি এনসিটি ও সিসিটি ইজারা বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে এনস ট স স ট ইজ র - চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) এবং চট্টগ্রাম

Desk National
Published June 29, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বন্দর রক্ষা কমিটি এনসিটি ও সিসিটি ইজারা বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে

এনস ট স স ট ইজ র – চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) এবং চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে বন্দর রক্ষা কমিটি। সংগঠনটি চট্টগ্রাম বন্দরকে জাতীয় মালিকানা এবং নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রস্তাব দিয়েছে। এ প্রস্তাব রোববার (২৮ জুন) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করা হয়েছিল। আগামী ১ জুলাই বেলা ১১টায় প্রেস ক্লাব চত্বরে এনসিটি ও সিসিটি ইজারা বাতিলের দাবিতে সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে দাবি করা হয়েছিল

সংবাদ সম্মেলনে বন্দর রক্ষা কমিটির চট্টগ্রাম অঞ্চলের আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি জানান, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের কেন্দ্র। সেহতে এর মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ শুধু অর্থনৈতিক নয়, জাতীয় নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্বের সঙ্গেও সম্পৃক্ত।

এনসিটি ও সিসিটি বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত জাতীয় সম্পদ। তাদের দাবি, বর্তমানে এনসিটির বার্ষিক সক্ষমতা ১১ লাখ টিইইউস হলেও বছরে প্রায় ১৩ লাখ টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা হচ্ছে। চলতি বছরের মে মাসে এক লাখ ২৬ হাজার ৪৯৬ টিইইউস হ্যান্ডলিংয়ের নতুন রেকর্ড হয়েছে যা দেশীয় ব্যবস্থাপনার সক্ষমতার প্রমাণ।

বিশেষজ্ঞরা দাবি করেন, চূড়ান্ত চুক্তির আগেই কনটেইনার হ্যান্ডলিং চার্জ ৩৭ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এতে আমদানি-রপ্তানি ব্যয় বেড়ে ব্যবসায়ী ও ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে টার্মিনাল ইজারা দেওয়া হলে বন্দরের আয়ের বড় অংশ বিদেশে মুনাফা হিসেবে চলে যাবে।

তারা আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনার কাছাকাছি হওয়ায় এনসিটি ও সিসিটির মতো টার্মিনালের ওপর বিদেশি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি নিয়ে আসতে পারে।

পাঁচ দফা দাবি প্রকাশ

সংবাদ সম্মেলন থেকে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছিল। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  • এনসিটি ও সিসিটি কোনো দেশি বা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ বন্ধ করা,
  • চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রত্যক্ষ ব্যবস্থাপনায় সব টার্মিনাল পরিচালনা,
  • বন্দর-সংক্রান্ত সব চুক্তি প্রকাশ করা,
  • জাতীয় স্বার্থবিরোধী কোনো গোপন সমঝোতা না করা,
  • চট্টগ্রাম বন্দরকে জাতীয় মালিকানা, নিয়ন্ত্রণ ও

Leave a Comment