National

আবাসিক রূপে ফিরছে ধানমন্ডি, সংশোধন হচ্ছে নীতিমালা

ধানমন্ডি আবাসিক অবকাঠামো বিস্তারে বাণিজ্যিক পরিবর্তন আব স ক র প ফ রছ - রাজধানীতে একটি পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা হিসেবে পরিচিত ধানমন্ডি অতিরিক্ত বাণিজ্যিক

Desk National
Published June 27, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ধানমন্ডি আবাসিক অবকাঠামো বিস্তারে বাণিজ্যিক পরিবর্তন

আব স ক র প ফ রছ – রাজধানীতে একটি পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা হিসেবে পরিচিত ধানমন্ডি অতিরিক্ত বাণিজ্যিক ব্যবহারে পরিবর্তিত হয়েছে। আবাসিক ভবনগুলোতে রেস্তোরাঁ, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের বিস্তার ফলে এখন এলাকায় যানজট, পার্কিং সংকট এবং শব্দদূষণ বৃদ্ধি হয়েছে। এ পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার নীতিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে।

৩১ বছর পর নীতিমালা পুনর্গঠনের প্রস্তাব

গত ৮ জুন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় প্রণীত নীতিমালার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভার কার্যবিবরণী অনুযায়ী, নতুন নীতিমালা প্রণীত হওয়া পর্যন্ত বর্তমান নীতিমালাই কার্যকর থাকবে।

বর্তমান নীতিমালার বিষয়গুলো যুগোপযোগী নগরায়ণ প্রবণতা ও বাস্তব চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে প্রয়োজনীয় সংশোধন এবং পরিমার্জনের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে সভায় নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নতুন কমিটি গঠন করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন বাণিজ্যিক নীতিমালার খসড়া মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে সীমিত পরিসরে বাণিজ্যিক ব্যবহার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল মিরপুর রোড, সাতমসজিদ রোড সহ ধানমন্ডি-২ ও ধানমন্ডি-২৭ সড়কসংলগ্ন প্লটগুলোতে। কিন্তু দীর্ঘ ৩১ বছরে নগরায়ণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও বাণিজ্যিক সম্প্রসারণের ফলে সেই নীতিমালার অনেক ধারা বর্তমান বাস্তবতার সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

আবাসিক ভবনগুলোর বাণিজ্যিক ব্যবহারের চাপ

বর্তমানে ঢাকা শহরের এক হাজার ৫৯২টি ভবনের মধ্যে প্রায় ৪৮ শতাংশ কোনো না কোনোভাবে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ মধ্যে ৫৩২টি আবাসিক-বাণিজ্যিক এবং ২৩৭টি পুরোপুরি বাণিজ্যিক ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। অধিকাংশ বাণিজ্যিক ভবনে পর্যাপ্ত পার্কিং সুবিধা না থাকায় যানজট ও পরিবেশ চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।

যানবাহন সড়কের ওপর পার্কিং করতে দেখা যায়, যা এলাকার স্বাভাবিক যান চলাচল ও পথচারীদের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।

নীতিমালা পরিপন্থি কোনো বাণিজ্যিক ব্যবহার চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে সংশোধনের প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হয়।

বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমোদন প্রক্রিয়া পরিবর্তন

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোনো এলাকার প্লটের �

Leave a Comment