National

৩ বছরের মধ্যে আড়াই কোটির বেশি কৃষক পাবেন ‘কৃষক কার্ড’: মন্ত্রী

৩ বছরের মধ্যে আড়াই কোটির বেশি কৃষক পাবেন ‘কৃষক কার্ড’ মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান ৩ বছর র মধ য আড় ই - ৩ বছর র মধ য আড় ই এ কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রক

Desk National
Published July 18, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

৩ বছরের মধ্যে আড়াই কোটির বেশি কৃষক পাবেন ‘কৃষক কার্ড’

মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান

৩ বছর র মধ য আড় ই – ৩ বছর র মধ য আড় ই এ কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রক কৃষক কার্ডের অনলাইন নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করেছে, যা আগামী সময়টি প্রায় আড়াই কোটি থেকে দুই কোটি সাত দশক কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেবে। মন্ত্রী মো. আমিন উর রশিদ ঘোষণা করেন যে এই কার্যক্রম দেশের সমস্ত কৃষকদের ডিজিটাল তথ্যভান্ডার গড়ে তুলতে সহায়তা করবে এবং তিনি জানান যে প্রত্যেক কৃষক সঠিক তথ্য দিলে সরকারি সেবাগুলি সহজে পাওয়া সম্ভব হবে। এই প্রক্রিয়ায় কৃষকদের ব্যক্তিগত তথ্য, জমি সম্পর্কিত বিবরণ এবং প্রাপ্ত সরকারি সুবিধার সাথে যুক্ত করা হবে। তিনি আরও বলেন যে এই কার্ড দিয়ে সরকার বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এবং পরিকল্পনা গ্রহণে সুবিধা পাবে।

কার্যক্রমের প্রক্রিয়া ও স্থায়িত্ব

৩ বছর র মধ য আড় ই কৃষক কার্ড কার্যক্রম দেশব্যাপী প্রতিটি জেলায় চালু হবে। বৃহস্পতিবার দেশের প্রতিটি কৃষি সেবা কেন্দ্রে এই কার্যক্রমের প্রারম্ভ করা হয়েছে, যা কৃষকদের সুবিধার্থে অনলাইন সংগ্রহ করতে সহায়তা করবে। কৃষি মন্ত্রক দেখিয়েছে যে আগামী দুই কোটি সাত দশক কৃষককে কার্ড জারি করা হবে এবং এটি কৃষি সম্পদের অপরিচিত তথ্য অপসারণে সহায়তা করবে। প্রথম বছরে প্রাপ্ত হবে ৪৩ লাখ কৃষক এবং এই সংখ্যা সময় অনুযায়ী বৃদ্ধি পাবে। কার্ডের মাধ্যমে সরকার কৃষি ক্ষেত্রে প্রকৃত গ্রাহকদের নির্ভুল তথ্যভান্ডার গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।

বৈশিষ্ট্য ও ব্যবহার

কৃষক কার্ডের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল তার ডিজিটাল ডাটাবেজ। সরকারি সেবাগুলি এখন পর্যন্ত কৃষকদের জন্য প্রতিটি ক্ষেত্রে কাজ করে আসছে কিন্তু কার্ড দিয়ে তাদের আরও সুবিধা পাওয়া সম্ভব হবে। এই কার্ড কৃষকদের স্থানান্তর ও জমি ক্ষেত্রে আওতায় আনা হবে। নির্বাচনের সময় তিনি বলেন যে এই কার্ডের আওতায় এক বছরের মধ্যে প্রায় ৪৫ হাজার কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এটি কৃষি কর্মকর্তাদের জন্য সহায়তা করবে এবং আগামী তিন বছর র মধ য আড় ই বিশেষ ভাবে সেবার উন্নয়নে সহায়তা করবে।

“ভুল তথ্য দিলে ভবিষ্যতে সরকারি সেবা গ্রহণে জটিলতা তৈরি হতে পারে। প্রত্যেক কৃষককে সঠিক তথ্য দিতে হবে।”

মন্ত্রী পরিদর্শনের সময় কৃষক কার্ডের মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম দেখেন এবং তিনি জানান যে কার্যক্রমে ভুল বা অনিয়ম ছাড়া চালানোর নির্দেশ দেন। জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই, অনলাইন নিবন্ধন ও তথ্য সংরক্ষণ প্রক্রিয়া দেখে তিনি আশাবাদী ছিলেন। কৃষক কার্ড এ তথ্য সংগ্রহ করে কৃষি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনার সম্ভাবনা রয়েছে।

কার্ডের স্থায়িত্ব ও সুবিধা

৩ বছর র মধ য আড় ই কৃষক কার্ড

Leave a Comment