১৭ দিনেও খোঁজ নেই বোয়ালখালীর আকবর হোসেনের
১৭ দ ন ও খ জ ন – ১৭ দিনেও খোঁজ নেই বোয়ালখালী উপজেলার সারোয়াতলী ইউনিয়নের কঞ্জুরী গ্রামে বাস করতেন আকবর হোসেন। গত ২৭ জুন বিকেলে তিনি ঘর থেকে বের হন এবং আর ফিরে আসেননি। এর পর থেকে তাঁর সাধারণ ডায়েরি করেন তাঁর ছেলে আসলাম হোসেন ইমন বায়েজিদ বোস্তামী থানায়। নিখোঁজ আকবর হোসেনের খোঁজ খুঁজতে বায়েজিদ বোস্তামী থানার উপ-পরিদর্শক সাজেদুল ইসলাম সোহাগ নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
আকবর হোসেনের ব্যক্তিগত বিবরণ
আকবর হোসেন বোয়ালখালী উপজেলার প্রয়াত জাকের হোসেনের ছেলে। তাঁর পরিবারে স্ত্রী ও চার সন্তান রয়েছে। গত দুই দিন হয়ে গেছে তাঁর খোঁজ নেই। নিখোঁজ আকবরের শ্যালক দিদার জাগো নিউজকে বলেন, অনেকদিন হয়ে গেছে তাঁর খোঁজ নেই। তার পরিবার এখনও সারাদিন খোঁজ খুঁজছে।
তদন্ত ও খোঁজ খুঁজে বার হয়নি আকবর হোসেনের সাধারণ ডায়েরি
আসলাম হোসেন ইমন বলেন, আমার বাবা ২৭ জুন বিকেলে শার্ট ও প্যান্ট পরে বাইরে যান। গায়ে রঙ শ্যামলা ছিল। তাঁর পরিবার আরও বলেন যে, পুলিশ তাঁর সাধারণ ডায়েরি করেন এবং ফেনী এলাকায় খোঁজ খুঁজেছে। কিন্তু কোথাও কোনও সন্ধান পাইনি।
“আমার ভাগিনা ইমনকে নিয়ে পুলিশ ফেনীতে গিয়েছিল মরদেহ দেখতে। কিন্তু ওই মরদেহ আমার দুলাভাইয়ের নয়। আবার দুলাভাইয়ের ব্যবহৃত মোবাইলটি পুলিশ ট্র্যাক করে ২৭ জুলাই ফেনী এলাকা পর্যন্ত খোলা ছিল। এরপর বন্ধ হয়ে যায় বলে পুলিশ জানিয়েছে।”
আকবর হোসেনের খোঁজ খুঁজতে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে তদন্ত চালিয়েছে। নিখোঁজ আকবর হোসেনের স্ত্রী বলেন, আমাদের বাড়িতে তিনি বেশ স্বাস্থ্যকর ছিলেন। তিনি আর বাড়িতে বসেননি। সারাদিন খোঁজ খুঁজে বার হয়নি আকবরের পরিবার তাঁকে খুঁজছে।
১৭ দিনেও খোঁজ নেই আকবর হোসেনের বিষয়টি এখন স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চারপাশে ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁর সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে এবং তার খোঁজ খুঁজতে পুলিশ সারাদিন সাজেদুল ইসলাম সোহাগ নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এই সংক্রান্ত তদন্ত চলছে কিন্তু খোঁজ নেই আকবরের স্থান পর্যন্ত কোনও ফলো পাওয়া যায়নি।
১৭ দিনেও খোঁজ নেই আকবর হোসেনের খোঁজ খুঁজতে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁর অবস্থান খুঁজছে। তাঁর সন্ধান খুঁজে মানুষ প্রায় সব জায়গায় পৌঁছেছে। পরিবারের অবস্থা দুঃখে আর চিন্তায় পূর্ণ রয়েছে। আকবর হোসেনের স্বামী বলেন, আমাদের বাড়ি থেকে বের হন বাবা। কোনও খোঁজ নেই আকবর হোসেন কোথায়।