National

বেবিচক চেয়ারম্যান / অ্যাভিয়েশন খাতে ইউএস-বাংলার দেড় বিলিয়ন বিনিয়োগ মাইলফলক অর্জন করেছে

ব ব চক চ য় রম য - রাজধানীর একটি হোটেলে বুধবার (২৯ জুলাই) 'বিয়ন্ড দ্য বোয়িং' সমারোহে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার

Desk National
Published July 29, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Mary Williams - bangladailypost.com

বেবিচক চেয়ারম্যানের মন্তব্য: ইউএস-বাংলার বিনিয়োগ মাইলফলক

Bangladailypost.com – ব ব চক চ য় রম য – রাজধানীর একটি হোটেলে বুধবার (২৯ জুলাই) ‘বিয়ন্ড দ্য বোয়িং’ সমারোহে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ঐতিহাসিক বিনিয়োগের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, অ্যাভিয়েশন খাতে এই দেড় বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে গণ্য হবে।

নতুন বিমান বহর ও পরিকল্পনা

এই সমারোহে দেশের বেসরকারি এয়ারলাইন্স ইউএস-বাংলার পক্ষ থেকে ২১টি নতুন বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয়ের ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাট, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, বোয়িংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিগিহ এবং ইউএস-বাংলা গ্রুপ ও এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন বহরে থাকবে ১৫টি অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৩৭-৮ এবং ৬টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০। ২০২৭ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে এই সকল বিমান বহরে যুক্ত করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান

আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে একটি হলো আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহনে বাংলাদেশি এয়ারলাইন্সগুলোর অংশীদারত্ব বৃদ্ধি করা। দেশের এয়ারলাইন্সগুলো তাদের বহর শক্তিশালী ও রুট নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করছে।

বেবিচক চেয়ারম্যান আরও বলেন, একটি অভ্যন্তরীণ এয়ারলাইন্স থেকে দেশের অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে পরিণত হয়েছে ইউএস-বাংলা, যা বাংলাদেশের অ্যাভিয়েশন খাত এবং জাতীয় অর্থনীতিতে মূল্যবান অবদান রাখছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আমাদের অ্যাভিয়েশন খাতের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতি আস্থার প্রতিফলন ঘটায়।

এই বহর সম্প্রসারণের মাধ্যমে এয়ারলাইন্সটি বেশকিছু নতুন আন্তর্জাতিক গন্তব্য চালু করার পরিকল্পনা করছে, যা বাংলাদেশ এবং বিশ্বের বাকি অংশের মধ্যে আরও বেশি যোগাযোগ তৈরি করবে। এই সম্প্রসারণ পর্যটন বৃদ্ধি করবে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজতর করবে, ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদার করবে এবং বাংলাদেশি পর্যটক ও প্রবাসীদের জন্য আরও সুবিধা প্রদান করবে।

দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব ও কর্মসংস্থান

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এবং বোয়িংয়ের মধ্যে এই অংশীদারত্ব কেবল বিমান ক্রয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার প্রতি একটি যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিনিধিত্ব করে।

মেহতা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, আমি আত্মবিশ্বাসী যে এই অংশীদারত্ব বাংলাদেশের অ্যাভিয়েশন খাতের ধারাবাহিক উন্নতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে। তিনি বোয়িংয়ের প্রতিও তাদের নিরন্তর অংশীদারত্ব এবং বাংলাদেশের অ্যাভিয়েশন সম্ভাবনার প্রতি আস্থার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন।

চার হাজার পেশাদারের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির জন্য ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রশংসা করে বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টির বাইরেও এয়ারলাইন্সটি পাইলট, ইঞ্জিনিয়ার, কেবিন ক্রু, টেকনিশিয়ান, অ্যাভিয়েশন ম্যানেজারসহ দক্ষ অ্যাভিয়েশন পেশাদার তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, যারা এই শিল্পের টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য।

তিনি শেষে বলেন, সিভিল অ্যাভিয়েশনে আমরা আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী বিমান নিরাপত্তা, সুরক্ষা, নিয়ন্ত্রণমূলক তদারকি এবং সেবার মান নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের উদ্দেশ্য হলো এমন একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা যেখানে বাংলাদেশের এয়ারলাইন্সগুলো আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিস্তার লাভ করতে পারে এবং বৈশ্বিক অ্যাভিয়েশন বাজারে সফলভাবে প্রতিযোগিতা করতে পারে।

Leave a Comment