National

পরীমনির সঙ্গে ‘অবৈধ সম্পর্ক’, এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর

40acf7b1-ae80-4446-890b-664440119cf1-0

ঢাকা মহানগর পুলিশের আগের এডিসি গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে

Bangladailypost.com – পর মন র সঙ গ অব ধ – ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের আগে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) ও বর্তমানে ঝিনাইদহ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম সাকলায়েনের বাধ্যতামূলক অবসরের আদেশ জারি করেছে সরকার। এ আদেশ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-২ শাখার প্রজ্ঞাপনে প্রকাশিত হয়। প্রজ্ঞাপনের সই করেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

মামলার পর দুজনের সম্পর্কের প্রমাণ জারি করা হয়েছে

আগের মামলার পর থেকে পরীমনি ও গোলাম সাকলায়েনের সম্পর্ক স্থাপন হয়। মাঝে মধ্যে তারা গাড়ি নিয়ে বের হতেন। বর্তমানে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সবশেষ পরীমনি ডিবির কর্মকর্তা গোলাম সাকলায়েনের রাজারবাগের মধুমতি ভবনের বাসায় গিয়ে প্রায় ১৮ ঘণ্টা অবস্থান করেছিলেন। ফোনের ফরেনসিক রিপোর্ট দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে যে, নায়িকা পরীমনির বাসায় তিনি বিভিন্ন সময়ে অবস্থান করেছেন।

“বিষয়টি মন্ত্রীর দপ্তর থেকে জানা যেতে পারে। ঘটনাটি আমিও দেখেছি। এ ব্যাপারে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে ঘটনাটি সত্য।”

২০২৪ সালের ১৩ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-২ শাখা থেকে এক চিঠি প্রকাশ করা হয়। চিঠিতে বলা হয় যে, পরীমনির বিরুলিয়ার বোট ক্লাবের ঘটনার পর তাকে ধর্ষণচেষ্টা ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ এনে মামলা করা হয়। মামলার পরদিনই আসামি হিসেবে ক্লাব নেতা ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদকে ঢাকার উত্তরার একটি বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার সঙ্গে গ্রেফতার হন আরও কয়েকজন সহযোগী। পরীমনি গোয়েন্দা কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। তখনই গোলাম সাকলায়েনের সঙ্গে তার সম্পর্ক প্রমাণিত হয়।

সরকারি কর্ম কমিশনের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে

আদেশের আগে সরকারি কর্ম কমিশনের কাছে গোলাম সাকলায়েনের গুরুদণ্ড দেওয়ার বিষয়ে মতামত চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সরকার তার সঙ্গে যোগাযোগের প্রমাণ দেখে তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে যে, পরীমনি গ্রেফতারের পর নিজের অকপট স্বীকারন করেছেন সবকিছু।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *