ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী
Bangladailypost.com – পরর ষ ট র প রত মন – পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী অংশ নিচ্ছেন না। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকেও এ সম্মেলনে কোনো প্রতিনিধি পাঠানো হবে না।
ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে ব্যক্তিগতভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। আমন্ত্রণটি দেওয়া হয়েছে বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশকে।
আমন্ত্রণ নিয়ে সরকারের ব্যাখ্যা
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ব্যক্তিগত আমন্ত্রণ এবং আঞ্চলিক জোট বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে আমন্ত্রণ—দুটি আলাদা বিষয়। তাই বিমসটেক চেয়ারম্যানের জন্য দেওয়া আমন্ত্রণকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি পাঠানোর আমন্ত্রণ হিসেবে দেখছে না সরকার।
‘বাংলাদেশ সরকারের কাউকে কি আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে? আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বিমসটেকের চেয়ারম্যানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, আমন্ত্রণের আনুষ্ঠানিক ধরন বিবেচনা করেই সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে ব্রিকসের এবারের শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী কিংবা বাংলাদেশের কোনো সরকারি প্রতিনিধি থাকবেন না।
ভারত সফরের প্রসঙ্গ
প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়েও কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর বহুপক্ষীয় কোনো আয়োজনকে কেন্দ্র করে হওয়ার কথা নয়। অনুকূল পরিস্থিতিতে পৃথক দ্বিপক্ষীয় সফরের ব্যবস্থা নিয়ে কাজ চলছে।
ভারত জানিয়েছে, বিমসটেক চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর জন্য পৃথক দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণও রয়েছে বলে ভারতীয় পক্ষের বক্তব্য।
তবে ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের বিষয়টি এবং বাংলাদেশ-ভারতের সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় সফর একই প্রক্রিয়া নয়। সরকারের অবস্থান হলো, ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর হলে তা দুই দেশের পারস্পরিক আলোচনার উপযোগী স্বতন্ত্র সফর হিসেবে হওয়া উচিত।
বিমসটেক চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান
বাংলাদেশ বর্তমানে বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছে। বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক এই আঞ্চলিক জোটে বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড সদস্য হিসেবে রয়েছে।
বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও সেটি ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে না। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ পার্থক্যটি স্পষ্ট করেছেন।
ব্রিকস সম্মেলন নিয়ে যা জানা যাচ্ছে
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর অষ্টাদশ ব্রিকস সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে। এতে ব্রিকস সদস্যরাষ্ট্রের নেতাদের পাশাপাশি অংশীদার দেশ ও আমন্ত্রিত রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।
২০২৬ সালে ব্রিকসের চেয়ারম্যান ভারত। জোটটির এবারের কার্যক্রমে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা ইস্যু, উদ্ভাবন এবং টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে সদস্যদের মধ্যে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: প্রধানমন্ত্রী কি ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন?
উত্তর: না। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী এবারের ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন না।
প্রশ্ন: বাংলাদেশ থেকে কি কোনো প্রতিনিধি যাবেন?
উত্তর: না। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকেও কোনো প্রতিনিধি পাঠানো হবে না।
প্রশ্ন: কেন বাংলাদেশ অংশ নিচ্ছে না?
উত্তর: সরকারের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে ব্যক্তিগতভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি; আমন্ত্রণটি ছিল বিমসটেক চেয়ারম্যান হিসেবে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is পরর ষ ট র প রত মন?
পরর ষ ট র প রত মন is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does পরর ষ ট র প রত মন matter?
পরর ষ ট র প রত মন matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

