National

তিন অভিযানে গ্রেফতার ৬, অপহৃতসহ ২৫ লাখ টাকা ও সোনা উদ্ধার

og_1781522106_6a2fdeba24863

তিন অভিযানে ছয় ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়

Bangladailypost.com – ত ন অভ য ন গ র – তিন অভিযান চালানোর মাধ্যমে ঢাকা মহানগর পুলিশ ছয় ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছেন এবং অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানানো হয় যে, এ অভিযানগুলোতে মুক্তিপণের নগদ ২৫ লাখ টাকা ও সোনা ফিরিয়ে পাওয়া হয়েছে। পুলিশ তাদের কাছে গৃহীত আসবাবপত্রগুলো জাতীয় দাবি মুক্তিপণ সংক্রান্ত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছে। গ্রেফতার অভিযুক্তদের মধ্যে আব্দুল আলিম বাবু, মো. সজিব মিয়া, মো. ময়নুদ্দিন ও মো. মহিউদ্দিন রয়েছেন। অপর অভিযুক্ত নুর হোসাইন সোহাগ লক্ষ্মীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযান চালানোর প্রক্রিয়া ও স্থান

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরা পশ্চিম থানার একটি টিম দক্ষিণখান থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানটি সাড়ে ১০টার দিকে রাতে শুরু হয়েছিল এবং এতে আব্দুল আলিম বাবু, সজিব মিয়া, ময়নুদ্দিন ও মহিউদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। গৃহীত আসবাবপত্রগুলোর মধ্যে মুক্তিপণ ও সোনার প্রধান ভূমিকা রয়েছে। অপহৃত ব্যক্তিদের উদ্ধারের সময় অভিযুক্তরা গোপনে সামগ্রী বরাবর রাখেন। পুলিশ এই অভিযানগুলোতে স্থানীয় গোয়েন্দা ও বিশেষ দলের সহযোগে কাজ করেছেন।

তিন অভিযানের বিস্তার ও গুরুত্ব

ঢাকা মহানগর পুলিশের তিন অভিযানে অপহৃত ব্যক্তিদের উদ্ধারের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। পুলিশ সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, এই অভিযানগুলো প্রতিদিন রাতে চালানো হয়। অভিযানগুলোতে প্রতিটি সামগ্রী সংগ্রহ করা হয় এবং অপহরণকারীদের দীর্ঘ সময় পর গ্রেফতার করা হয়। তিন অভিযানে পুলিশ একটি বিশেষ প্রক্রিয়া ব্যবহার করেছেন যাতে অপহৃত ব্যক্তির কাছ থেকে মুক্তিপণ ও সোনা উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

গ্রেফতার অভিযুক্তদের মধ্যে আব্দুল আলিম বাবু এবং মো. সজিব মিয়া রয়েছেন। এই দুই অভিযুক্ত সংগঠিত প্রতিশ্রুতিতে সোনা এবং টাকা সংগ্রহ করেছিলেন। ময়নুদ্দিন ও মহিউদ্দিন আসবাবপত্রগুলো সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন। অপর অভিযুক্ত নুর হোসাইন সোহাগ লক্ষ্মীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানানো হয় যে, অপহৃত ব্যক্তিদের কাছ থেকে বিশেষ মুক্তিপণ সংগ্রহ করা হয়েছে।

মুক্তিপণ ও সোনা উদ্ধারের প্রক্রিয়া

ঢাকা মহানগর পুলিশের তিন অভিযানে মুক্তিপণের নগদ ২৫ লাখ টাকা এবং সোনা ফিরিয়ে পাওয়া হয়েছে। সোনা ব্যবহারের প্রধান স্থান হিসেবে অভিযুক্তদের আসবাবপত্র বিশ্লেষণ করা হয়। এতে কিছু বৈপ্লবিক আসবাবপত্র উদ্ধার করা হয়েছে যার মাধ্যমে অপহরণকারীদের আসবাবপত্র বিশ্লেষণ করা হয়। সোনা ও টাকার উদ্ধারের পর অপহৃত ব্যক্তির কাছে আসবাবপত্রগুলো তুলে নেওয়া হয়। তাদের মুক্তিপণ ব্যবহার করে গৃহীত আসবাবপত্রগুলো নিশ্চিত করা হয়।

উত্তরা পশ্চিম থানার একটি টিম গোপন তথ্যের ভিত্তিতে দক্ষিণখান থানা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *