জুলাইয়ে অতিভারী বৃষ্টি বিষয়ে আমন বীজতলা ও চারা রোপণ পরামর্শ
অত ভ র ব ষ ট ত – অতিভারী বৃষ্টির আশঙ্কা জুলাইয়ে বেশির ভাগ এলাকার জন্য সত্যিই অস্থির করে তুলেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের প্রায় সমস্ত অঞ্চলে জুলাই ১২ থেকে ১৪ তারিখ পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এটি কৃষিকার্ষ্টে বিশেষ করে আমন বীজতলা ও চারা রোপণ প্রক্রিয়াকে ধরা পড়ে এবং কৃষকদের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে হবে বৃষ্টির তীব্রতা কমে যেতে পারে বা আরও তীব্র হতে পারে তা বিবেচনা করে।
কৃষি প্রক্রিয়ায় বৃষ্টির প্রভাব
অতিভারী বৃষ্টি বিশেষ করে বীজতলা ও চারা রোপণের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) তাদের পরামর্শে জানায় যে বৃষ্টির কম হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব বীজতলা তৈরি ও চারা রোপণে সময় নেওয়া ভালো। অতিভারী বৃষ্টি কারণে জমির পানি স্তর বৃদ্ধি পেয়ে মূল চারাগুলো প্রবলভাবে ভেসে যেতে পারে। এতে ধানের বীজ চারার বৃদ্ধি ও গুণমানে প্রভাব পড়তে পারে। সেই কারণে কৃষকদের বৃষ্টির পরিমাণ কমার অপেক্ষায় অপেক্ষা করা উচিৎ নয়। অপরদিকে, সম্পূর্ণ বৃষ্টি কমে গেলে তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করা যেতে পারে।
বৃষ্টি তীব্র হলে জমি থেকে পানি নিষ্কাশন করা প্রয়োজন। এ জন্য স্থানীয় কৃষক কমিটি ও কৃষি আধিকারিকদের সহযোগিতা গ্রহণ করা উচিৎ। এই প্রক্রিয়ায় কৃষকদের জমির চারাগুলো রক্ষা করার জন্য বিশেষ করে পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের উপায়গুলো অনুসরণ করা উচিৎ। বৃষ্টির সময় জমির ড্রেনেজ সিস্টেম সঠিকভাবে চালু রাখা দরকার, যাতে পানি কাটা বীজতলার ক্ষেত্রে ক্ষতি হয় না। এছাড়াও, আমন বীজ রোপণের সময় জমির অবস্থা যাচাই করে নেওয়া উচিৎ, যাতে কোন ভারী বৃষ্টি আগমনের সময় স্থানীয় কাজ চালু করতে পারেন।
প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা
বৃষ্টি কমানোর পর আমন বীজতলা ও চারা রোপণ কাজের প্রাথমিক পরিমাণ কমিয়ে নিতে হবে অতিভারী বৃষ্টি আসার আশঙ্কা থাকলে। ব্রি জানায় যে প্রবল বৃষ্টির সময় চারাগুলো নষ্ট হতে পারে বা ধীরগতিতে বৃদ্ধি পেতে পারে। কাজের সময় কৃষকদের প্রতিটি অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি সম্পর্কে সঠিক পূর্বাভাস গ্রহণ করতে হবে যাতে তাদের ধান বীজ রোপণ ও চারা বিস্তারের কাজ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয়। এছাড়াও কৃষিকার্ষ্টে বৃষ্টি সময়ে পানি বৃদ্ধির কারণে চারা চালু করার জন্য তাদের প্রস্তুতি করা আবশ্যক।
সেন্সর ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষকদের পরিদৃষ্ট অঞ্চলে অতিভারী বৃষ্টির প্রতি সচেতন থাকতে হবে। বিশেষ করে আমন বীজ রোপণ পর্যায়ে কৃষকদের সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে যে চারা স্থায়ী করে যায় না অতিভারী বৃষ্টি আসার সময়। এটি কারণে কৃষিকার্ষ্টে প্রথম দিকে প্রবল বৃষ্টি সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া বিশেষ প্রয়োজন। পানি স্রোত চারা ভেসে যেতে পারে বা মূল চারার ওপর চাপ দিতে পারে। কৃষকদের পরিদৃষ্ট পরিস্থিতিতে ধান �