বর্ণাঢ্য আয়োজনে ডিআরইউর ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
Bangladailypost.com – উৎসবম খর পর ব শ ড আরইউর – পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে উৎসবের আবহে। বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, দিনব্যাপী কর্মসূচিতে সাংবাদিক, রাজনীতিক, পেশাজীবী, গণমাধ্যমসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
১৯৯৫ সালে যাত্রা শুরু করা ডিআরইউ দীর্ঘ সময় ধরে সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন, কল্যাণ ও অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে কাজ করে আসছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনটি তাই শুধু একটি সাংগঠনিক উদযাপন নয়, সাংবাদিকদের পেশাগত সংহতি ও পারস্পরিক যোগাযোগেরও একটি উপলক্ষ হয়ে ওঠে।
পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু
সকালে ডিআরইউ প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকার সঙ্গে সংগঠনের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে প্রথম পর্বের সূচনা হয়। সকাল ১০টায় এ কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর সাড়ে ১০টায় বেলুন উড়িয়ে এবং শান্তির প্রতীক পায়রা অবমুক্ত করে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
এরপর বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য র্যালি। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর পরিবেশকে প্রাণবন্ত করে তুলতে সদস্যদের পাশাপাশি আমন্ত্রিত অতিথিরাও বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন। দিনের এই আয়োজন সাংবাদিক সমাজের সংগঠিত ভূমিকা ও পেশাগত বন্ধনের গুরুত্বকে সামনে আনে।
উদ্বোধনী আয়োজনে অতিথিদের উপস্থিতি
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, এমপি এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. রুহুল কবির রিজভী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, জামায়াতে ইসলামীর মিডিয়া পরিচালক এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপু।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক এমপি শফিকুল ইসলাম মাসুদ, গাজীপুর জেলা প্রশাসক নুরুল করিম ভুঁইয়া, বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান হেলাল আহমেদ চৌধুরী এবং ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানির পরিচালক মো. কাজিম উদ্দিনও এ আয়োজনে অংশ নেন। বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতা এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি ছিল জনসমাগমপূর্ণ।
কেক কাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময়
দুপুর ১টায় শুরু হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দ্বিতীয় পর্ব। ডিআরইউ প্রাঙ্গণে কেক কাটার মাধ্যমে এ অংশের আনুষ্ঠানিকতা এগিয়ে নেওয়া হয়। পরে সদস্য ও অতিথিদের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
এ পর্বের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. মঈন খান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, পিস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান শফিক রেহমান এবং শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুসসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। তাঁদের উপস্থিতি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনকে বহুমাত্রিক করে তোলে।
সাংবাদিকতা কেবল সংবাদ পরিবেশনের কাজ নয়; জনস্বার্থ, জবাবদিহি এবং তথ্যপ্রবাহের সঙ্গে এ পেশার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। এমন একটি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সাংবাদিকদের পেশাগত পরিচয়, সহকর্মিতার বন্ধন এবং কল্যাণসংক্রান্ত প্রত্যাশাকে নতুনভাবে সামনে নিয়ে আসে।
মধ্যাহ্নভোজ ও সাংস্কৃতিক আয়োজন
দুপুর ২টায় ডিআরইউর সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা করা হয়। দিনব্যাপী কর্মসূচির এই পর্বে অংশগ্রহণকারীরা একে অপরের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ পান।
বিকেল ৪টায় দেশবরেণ্য শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনের কথা রয়েছে। সংগীত ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদযাপনকে আরও আনন্দঘন করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ ডিআরইউর সঙ্গে সমাজের নানা স্তরের যোগাযোগের প্রতিফলন ঘটায়। রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, পেশাজীবী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে একটি সম্মিলিত মিলনমেলায় পরিণত করে।
সাংবাদিকদের পেশাগত সংগঠন হিসেবে ডিআরইউ
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি দেশের পেশাদার সাংবাদিকদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি সদস্যদের পেশাগত অগ্রগতি, কল্যাণ এবং অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে ভূমিকা পালন করে আসছে। সাংবাদিকদের জন্য সহায়ক পরিসর তৈরি, পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং পেশাগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সামনে আনার ক্ষেত্রেও এ ধরনের সংগঠনের গুরুত্ব রয়েছে।
৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন সেই দীর্ঘ পথচলাকেই স্মরণ করিয়েছে। পতাকা উত্তোলন, র্যালি, অতিথিদের শুভেচ্ছা, কেক কাটা, মধ্যাহ্নভোজ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সমন্বয়ে দিনটি ডিআরইউর সদস্যদের জন্য উৎসবের একটি স্মরণীয় উপলক্ষ হয়ে থাকে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is উৎসবম খর পর ব শ ড আরইউর?
উৎসবম খর পর ব শ ড আরইউর is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does উৎসবম খর পর ব শ ড আরইউর matter?
উৎসবম খর পর ব শ ড আরইউর matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

