আরও তল ন ত শ য়: শেষ বেলার বিক্রিচাপে ডিএসইএক্স কমল
Bangladailypost.com – আরও তল ন ত শ য় রব – আরও তল ন ত শ য় পরিস্থিতিতে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার, ১০ আগস্ট দেশের শেয়ারবাজারে বিক্রির চাপ বেড়েছে। দিনের বেশির ভাগ সময় সূচক ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও শেষ আধাঘণ্টার দরপতনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সব মূল্যসূচক কমে লেনদেন শেষ হয়। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২২ পয়েন্ট হারিয়ে ৫ হাজার ৫১৫ পয়েন্টে নেমেছে, যা ৮ জুনের পর সর্বনিম্ন।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) দাম কমা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল বেশি। ফলে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১ পয়েন্ট কমেছে।
শেষ আধাঘণ্টায় বদলে যায় বাজারের চিত্র
ডিএসইতে দিনের শুরুতে অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছিল। প্রথম তিন ঘণ্টা সূচকের ইতিবাচক গতি থাকায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা তৈরি হয়। প্রায় এক মাসের নিম্নমুখী প্রবণতা কাটিয়ে ওঠার সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছিল।
তবে শেষ ৩০ মিনিটে বিক্রির চাপ বাড়লে সেই চিত্র পাল্টে যায়। দিনশেষে ডিএসইতে ১০৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, ২৩০টির কমেছে এবং ৫৪টির দর অপরিবর্তিত ছিল।
চলতি বছরের শুরুতে ডিএসইএক্স ৪ হাজার ৯১০ পয়েন্টে নেমে যাওয়ার পর সূচকটি কিছুটা পুনরুদ্ধার করে ৫ হাজার ৯০০ পয়েন্টের ওপরে উঠেছিল। নতুন করে পতন শুরু হওয়ায় দীর্ঘ সময় ধরে লোকসানে থাকা বিনিয়োগকারীদের স্বস্তিও কমে এসেছে।
বিভিন্ন শ্রেণির শেয়ারে বিক্রির চাপ
১০ শতাংশ বা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৬৭টির শেয়ারের দাম বেড়েছে, ১০৭টির কমেছে এবং ২০টির অপরিবর্তিত ছিল। ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া মাঝারি মানের কোম্পানির মধ্যে ৬টির দর বেড়েছে, ৬৫টির কমেছে এবং ৩টির পরিবর্তন হয়নি।
লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে ‘জেড’ গ্রুপে থাকা কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২৯টির দাম বেড়েছে, ৫৮টির কমেছে এবং ৩১টির দর অপরিবর্তিত ছিল। অন্যদিকে মিউচুয়াল ফান্ডে তুলনামূলক ইতিবাচক চিত্র দেখা গেছে; ৩২টি ফান্ডের ইউনিটের দাম বাড়লেও ১টির কমেছে।
সূচক ও লেনদেনের অবস্থান
আরও তল ন ত শ য় বাজারে ডিএসই-৩০ সূচক ৭ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৯৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচকও ৫ পয়েন্ট হারিয়ে ১ হাজার ১০৫ পয়েন্টে নেমেছে। তিনটি সূচকই কমায় বাজারের চাপ যে বিস্তৃত ছিল, তা স্পষ্ট হয়েছে।
দরপতনের মধ্যেও ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে। এদিন ৫৪৪ কোটি ৪২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের ৫১৯ কোটি ৭৭ লাখ টাকার চেয়ে ২৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা বেশি।
লেনদেনের শীর্ষে ছিল এনভয় টেক্সটাইল, যেখানে ২০ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। শার্প ইন্ডাস্ট্রিজে ১৯ কোটি ১৩ লাখ টাকা এবং এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডে ১৬ কোটি ৩১ লাখ টাকার ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
শীর্ষ ১০ লেনদেনের তালিকায় ছিল প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, সায়হাম টেক্সটাইল, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, মালেক স্পিনিং, নিটল ইন্স্যুরেন্স, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স ও সাউথইস্ট ব্যাংক। সক্রিয় লেনদেন থাকলেও তা সূচক বৃদ্ধির নিশ্চয়তা দেয়নি।
সিএসইর দিনের চিত্র
সিএসইতে ১৮২টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ৬৫টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, ৯০টির কমেছে এবং ২৭টির দর অপরিবর্তিত ছিল। এদিন সেখানে ৯ কোটি ৮৫ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে; আগের কার্যদিবসে ছিল ৮৭ কোটি ২৭ লাখ টাকা।
প্রশ্নোত্তর
ডিএসইএক্স কত পয়েন্টে নেমেছে?
প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২২ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫১৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
ডিএসইতে কত টাকার লেনদেন হয়েছে?
ডিএসইতে মোট ৫৪৪ কোটি ৪২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
বাজারে পতনের প্রধান কারণ কী ছিল?
দিনের শেষ আধাঘণ্টায় বিক্রির চাপ বাড়ায় অধিকাংশ শেয়ারের দর কমে যায় এবং সব মূল্যসূচক নিম্নমুখী হয়ে পড়ে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is আরও তল ন ত শ য় রব?
আরও তল ন ত শ য় রব is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does আরও তল ন ত শ য় রব matter?
আরও তল ন ত শ য় রব matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

