Bangladailypost.com – স র য় র আলমগ র র – “`html
আপিল বিভাগের বেঞ্চ বুধবার সারোয়ার আলমগীরের সংসদে যাওয়া নিয়ে আদেশ দেবে
আপিল আবেদনের শুনানি সম্পন্ন
চট্টগ্রাম-২ আসন থেকে নির্বাচিত ও শপথ গ্রহণকারী সংসদ সদস্য সারোয়ার আলমগীরকে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগদান থেকে বিরত রাখার লক্ষ্যে দায়ের করা আপিল আবেদনের ওপর আদেশ প্রদান করা হবে আগামী বুধবার, অর্থাৎ ২৯ জুলাই। মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই তারিখে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্য বিশিষ্ট আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই দিন নির্ধারণ করে।
আদালতে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের পক্ষে আইনজীবী আহসানুল করিম এবং এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমীনকে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও আজিম উদ্দিন পাটওয়ারী সমর্থন করেন।
আপিলের পটভূমি ও বিবরণ
নুরুল আমীন সারোয়ার আলমগীরের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত বৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন। এই আবেদনে তিনি হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করার এবং আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সারোয়ার আলমগীর যেন সংসদ অধিবেশনে অংশ না নিতে পারেন—এর জন্য নিষেধাজ্ঞা চেয়েছেন।
আপিল বিভাগ সেমবার, ২৭ জুলাই শুনানি শেষে এই বিষয়ে রায়ের জন্য মঙ্গলবার দিন নির্ধারণ করেছিলেন।
নির্বাচন ও আদালতের সিদ্ধান্তের কালক্রম
ভোটের পূর্বে রিটার্নিং কর্মকর্তা সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করার পর ঋণ খেলাপির অভিযোগ তুলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নুরুল আমীন নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। শুনানি শেষে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বাতিল করে।
ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে সারোয়ার আলমগীর হাইকোর্টে রিট করেন। গত ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনের আদেশ স্থগিত করে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে রুল জারি করেন। এরপর নুরুল আমীন আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করলে ৩ ফেব্রুয়ারি আদালত লিভ মঞ্জুর করেন।
একই সঙ্গে সারোয়ার আলমগীরকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলেও আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সারোয়ার আলমগীর বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন। আদালতের নির্দেশনার কারণে ওই সময়ে তার ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি।
আপিল বিভাগের নির্দেশ ও হাইকোর্টের রায়
পরবর্তীতে আপিলের শুনানি শেষে ১৬ জুন আপিল বিভাগ হাইকোর্টকে যত দ্রুত সম্ভব, সম্ভাব্য দুই সপ্তাহের মধ্যে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ৩ ফেব্রুয়ারির অন্তর্বর্তী আদেশ রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বহাল রাখা হয়।
গত ৯ জুলাই হাইকোর্ট রুল যথাযথ ঘোষণা করে সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দেন। এই রায়ের পর ওইদিন গেজেট প্রকাশের পাশাপাশি সন্ধ্যায় সারোয়ার আলমগীরকে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ পঠানো হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের প্রদত্ত রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে ১৩ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করেন নুরুল আমীন। আবেদনে বলা হয়, রায়ের লিখিত অনুলিপি প্রকাশের আগেই নির্বাচন কমিশন সারোয়ার আলমগীরকে সংসদ সদস্য হিসেবে গেজেট প্রকাশ করে এবং তাকে শপথ পঠানো হয়।
“`
