Law Courts

পল্লবীতে শিশুহত্যা: মৃত্যুদণ্ড পাওয়া সোহেল ও স্বপ্নার জেল আপিল

পল্লবীতে শিশুহত্যা ঘটনায় মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত সোহেল ও স্বপ্নার জেল আপিল কেস বিবরণ পল লব ত শ শ হত য - গত ১৯ মে পল্লবী থানার সামনে সাত বছর বয়সী শিশুটিকে ধর্ষণের

Desk Law Courts
Published June 14, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
og_1781415350_6a2e3db684725
Foto : Joseph Hernandez - bangladailypost.com

পল্লবীতে শিশুহত্যা ঘটনায় মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত সোহেল ও স্বপ্নার জেল আপিল

কেস বিবরণ

Bangladailypost.com – পল লব ত শ শ হত য – গত ১৯ মে পল্লবী থানার সামনে সাত বছর বয়সী শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। হত্যার পর তার জানালার গ্রিল কেটে আসামি সোহেল রানা পালিয়ে যায়। পুলিশ জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে স্বপ্না খাতুনকে হেফাজতে আনে। নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

বিচার প্রক্রিয়া

গত ২১ মে মামলায় সোহেল রানা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তারপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। গত ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারক মাসরুর সালেকীন কর্তৃক মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেছেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার মুতাবেক আসামিদের মৃত্যু হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা প্রয়োজন। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারার আওতায় হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন ছাড়া এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে না।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা মোতাবেক আসামিদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা মোতাবেক হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান গত ২৫ মে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ওই দিনই মামলাটি পরবর্তী বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। গত ২১ মে সেই মামলায় সোহেল রানা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তারপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

শিশুর উত্তরাধিকারদের জন্য নির্দেশ

আসামি সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না খাতুনকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার টাকা শিশুটির আইনগত উত্তরাধিকারকে দিতে বলা হয়। যদি টাকা দেওয়া হয় না, কালেক্টরেট অফিসকে স্থাব

Leave a Comment