দোয়া কুনুত পড়তে পারলে বিতর নামাজে কোন দোয়া হবে?
দ য ক ন ত ন প – যে কারণে কুনুত দোয়াটি বেশি দীর্ঘ হয়ে থাকে, বেশি বয়সের বা ছোট বাচ্চাদের কে এটি মুখস্ত করা কঠিন হতে পারে। এর ক্ষেত্রে বিতর নামাজে কুনুতের জায়গায় সহজ কোন দোয়া পড়া আবশ্যক।
পরিবর্তী দোয়া কী?
তৃতীয় রাকাতের পর সুরা-কেরাত পড়ার পরপর কুনুতের জায়গায় নিম্নে উল্লেখিত দোয়াটি পড়া যেতে পারে:
রَبّنَا آتِنَا فِي الدّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النّارِ
উচ্চারণ: রাব্বানা আতিনা ফিদ-দুনয়া হাসানাহ ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাহ ওয়া কিনা আজাবান-নার।
অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের এই জীবনে সুখ দান করুন, আখেরাতেও সুখ দান করুন এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে আমাদের রক্ষা করুন।
যদি এই দোয়াও মুখস্ত হয় না, তবে তিনবার পড়তে হবে ‘আল্লাহুম্মা গফিরলি’ অর্থাৎ ‘হে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুন’।
বিতর নামাজের বৈশিষ্ট্য
বিতর নামাজ বিজোড় রাকাত বিশিষ্ট হওয়ার কারণে এটি এই নামে পরিচিত। ইশার নামাজের পর থেকে সুবহে সাদিক পর্যন্ত এ নামাজ পড়া যায়। প্রতিদিন এ সময়ের মধ্যে বিতর নামাজ পড়া ওয়াজিব।
বিতর নামাজ শেষ করতে হয় এমন পদ্ধতিতে: তৃতীয় রাকাতে বসে তাশাহহুদ পড়া, দরুদ এবং দোয়া মাসুরা শেষে সালাম ফেরানো।
তৃতীয় রাকাত পড়ার জন্য উঠে দাঁড়ানো আবশ্যক। সুরা ফাতিহার সাথে অন্য কোন সুরা বা আয়াত পড়ার পরপর তাকবির দিয়ে দুহাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে কুনুত দোয়া পড়া যেতে পারে।
পরবর্তী রুকু, কাওমা ও সিজদা করে শেষ বৈঠকে বসে দুয়া পড়া ও সালাম ফেরানোর মাধ্যমে নামাজ সমাপ্ত হয়।
আল্লাহুম্মা ইন্না নাসতাইনুকা ওয়া নাসতাগফিরুকা ওয়া নুমিনুবিকা ওয়া নাতাওয়াক্কালু আলাইকা ওয়া নুছনি আলাইকাল খাইর; ওয়া নাশকুরুকা ওয়া লা নাকফুরুকা; ওয়া নাখলাঊ ওয়া নাতরুকু মাইঁইয়াফঝুরুকা; আল্লাহুম্মা ইয়্যাকা না’বুদু; ওয়া লাকা নুসাল্লি ওয়া