Islam

ঈদুল আজহার নামাজের নিয়ত ও নিয়ম

suhailsuri-eid-al-adha-5374989-mpo68nryeo7j0aj-20260527204134

ঈদুল আজহার ও কোরবানি সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য

Bangladailypost.com – ঈদ ল আজহ র ন ম জ – ঈদুল আজহার হিজরি ক্যালেন্ডারের জিলহজ মাসের ১০ তারিখে আহবান করা হয়। এই দিনটি ইসলামে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ বিষয় হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। কোরআনে আল্লাহ তাআলা এই দিনের শপথ করেছেন যেখানে বলা হয়েছে, “শপথ ভোরবেলার, শপথ দশ রাতের, শপথ জোড় ও বেজোড়ের।” (সুরা ফাজর: ১-৩)

ঈদুল আজহার দিনে দুটি ওয়াজিব কাজ পালন করা প্রয়োজন যথা: কোরবানি ও ঈদের নামাজ। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে কোরবানির দিন সকল দিনের মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রাধান্য প্রদান করে। আব্দুল্লাহ ইবনে কুরত হতে সুনানে আবু দাউদে বলা হয়েছে, “সকল দিনের মধ্যে আল্লাহর নিকট সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ দিন হলো কোরবানির প্রথম দিন।”

ঈদের নামাজের নিয়ত ও সম্পাদনা

ঈদ নামাজ সুর্যোদয়ের পর থেকে দিপ্রহর পর্যন্ত আদায় করা যায়। রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আজকের এই দিনে প্রথম আমরা ঈদের নামাজ আদায় করবো। এরপর ফিরে গিয়ে কোরবানি করবো।” (সহিহ বুখারি: ৫৫৬০)

ঈদের নামাজ আদায় করতে হবে কোরবানি করার আগে। মনে মনে জানেন যে আপনি ইমামের পেছনে ছয় তাকবিরের সাথে দুই রাকাত নামাজ আদায় করছেন। উদাহরণে বাংলায় নিয়ত করতে পারেন: “আমি কিবলামুখী হয়ে এই ইমামের পেছনে ছয় তাকবিরের সাথে দুই রাকাত ঈদের ওয়াজিব নামাজ আদায়ের নিয়ত করছি।”

ঈদ নামাজে আজান বা ইকামত হয় না। ইমাম সাহেব কাতার সোজা করার তাগিদ দিয়ে সরাসরি নামাজ শুরু করেন। নামাজ দুই রাকাত এবং ছয়টি অতিরিক্ত তাকবির পাঠ করা ওয়াজিব।

তাকবিরে তাহরিমা ও অন্যান্য বিষয়গুলো

প্রথম তাকবিরে ইমাম সাহেব হাত বেঁধে কান পর্যন্ত উঠিয়ে “আল্লাহু আকবার” বলেন। দ্বিতীয় তাকবিরে তাকে ছেড়ে দিন। তৃতীয় তাকবিরে হাত উঠিয়ে নাভি বরাবর বেঁধে নিন। ছানা পড়া শেষে ইমাম সাহেব তিনটি অতিরিক্ত তাকবির দেবেন।

প্রতিটি তাকবিরে “আল্লাহু আকবার” বলে হাত উঠিয়ে ছেড়ে দিন। রুকু ও সিজদা করার সময় আল্লাহু আকবার বলা প্রস্তুতি করা যায়। কোরবানি করতে হবে নামাজের পর।

নামাজ সমাপন ও খুতবা

নামাজের সমাপনী অংশে তাশাহহুদ, দরুদ শরিফ ও দোয়া মাসুরা পড়ে সালাম ফিরানো দ্বারা সম্পন্ন করুন। নামাজ শেষে ইমাম সাহেব খুতবা দেবেন যেখানে উচ্চস্বরে তাশরিক পাঠ করা সুন্নত হিসাবে মান্য করা হয়। তাশরিক পাঠ করতে হবে বাড়ি ফেরার পথে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *