Islam

আল্লাহর নবী ইলিয়াসের (আ.) দ্বীন প্রচার

gemini-generated-image-yxaqfiyxaqfiyxaq-mpsgtzt14ffjz3v-20260530204840

আল্লাহর নবী ইলিয়াসের (আ.) দ্বীন প্রচার

Bangladailypost.com – আল ল হর নব ইল য় স – নবী ইলিয়াস (আ.) বনী ইসরাইলের নবীদের একজন। তার পিতা ছিলেন ইয়াসীন এবং তিনি মুসার (আ.) ভাই হারুনের (আ.) বংশধর। ইসরাইলি কিতাবগুলোতে তাকে ‘ইলিয়া’ নামে উল্লেখ করা হয়। কোরআন মজীদে তাঁর নাম দুই স্থানে উল্লেখ করা হয়েছে।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বনি ইসরাইলের প্রতি পূর্ববর্তী নবীদের পর ইলিয়াসকে (আ.) প্রেরণ করেন। এই সময় বনি ইসরাইলের মানুষ পূজা করত একটি মূর্তির নাম বাআল। নবী ইলিয়াস (আ.) তাদের কাছে আহ্বান জানান যে, আল্লাহই তাদের রব এবং তাদের পূর্বপুরুষদের রব। অন্যান্য প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি তাদের পূজা করতে নিষেধ করেন।

তাদের রাজা প্রথমে নবী ইলিয়াসের (আ.) প্রতি ইমান আনেন, কিন্তু পরবর্তীতে তারা ধর্মত্যাগী হয়ে যান। অধিকাংশ মানুষ তাদের ভ্রষ্টতা থেকে মুক্ত হয় না। নবী ইলিয়াস (আ.) আল্লাহর কাছে দোয়া করেন, ফলে তিন বছর তাদের উপর বৃষ্টি বন্ধ হয়ে যায়।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাকে নবী হিযকীলের (আ.) পর বনি ইসরাইলের কাছে প্রেরণ করেছিলেন। বনি ইসরাইলের লোকেরা ‘বাআল’ নামক একটি মূর্তির পূজা করত। তিনি তাদের আহ্বান করেন এবং আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছু ইবাদত করতে নিষেধ করেন। তাদের রাজা প্রথমে ইমান আনেন, কিন্তু পরবর্তীতে মুরতাদ হয়ে যান। অন্যান্য বেশিরভাগ মানুষ তাদের ভ্রষ্টতার ওপর অবিচল রইল। তখন তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন, ফলে তিন বছর বৃষ্টি বন্ধ রইল। এরপর তারা তাঁর কাছে কষ্ট দূর করার জন্য অনুরোধ করে এবং প্রতিশ্রুতি দেন যে, বৃষ্টি আসলে তাদের ওপর আল্লাহর দোয়া করবেন। কিন্তু তারা ইমান আনল না।

অবশেষে নবী ইলিয়াসের (আ.) নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট জায়গায় গেলে তাঁর কাছে আগুনের একটি ঘোড়া আসে। ঘোড়াটির ওপর সওয়ার হয়ে তিনি ওই স্থানে থাকেন। আল্লাহ তাআলা তাঁকে নূরের পোশাক এবং ডানা দিয়ে পরিচ্ছন্ন করেন। তিনি ফেরেশতাদের সাথে উড়তে লাগেন। তিনি হয়ে উঠেন ফেরেশতা ও মানুষ, আসমানি ও জমিনি সত্তা।

নবী ইলিয়াসের (আ.) ঘটনার শেষে মুক্তি

এই ঘটনার শেষে আল্লাহ তাআলা বনি ইসরাইলের মাঝে দাওয়াতের এই মহান কাজ আঞ্জাম দেন। তখন ইলিয়াস আলাইহিস সালাম তাদের প্রশংসা করেন এবং জানিয়ে দেন যে, আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর জন্য রয়েছে সালাম বা অভিবাদন।

নবী ইলিয়াসের (আ.) ব্যাপারে যেসব ঘটনা আমরা নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস করতে পারি, তা হলো আল্লাহ তাআলার কোরআনে উল্লেখ করা তথ্য। এর বাইরের যেসব বর্ণনা রয়েছে, তা পর্যালোচনার অবকাশ রয়েছে।

তথ্য ও বর্ণনার গুরুত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *