ভিয়েতনামে মাংস বিক্রির জন্য চুরি হওয়া শত শত বিড়াল উদ্ধার
ভ য় তন ম ম স ব – ভিয়েতনামে মাংস বিক্রির জন্য চুরি হওয়া শত শত বিড়াল উদ্ধার করা হয়েছে, যেটি দেশটির প্রাণী সংরক্ষণ আন্দোলনের জন্য একটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য বিষয়। ভিয়েতনাম সরকারি পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ ও তদন্তকারীদের সামনে চুরি হওয়া বিড়ালের মাংস বিক্রির জন্য একটি সুসংগত চক্র নিয়ে তদন্ত চালানো হয়েছে। এই অপারেশনে বিড়াল চুরি করা হয়েছিল এমন আট জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যারা তিন বছরের মধ্যে দক্ষিণ ভিয়েতনামের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিড়াল সংগ্রহ করছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে যে, বিড়াল চুরির জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল এমন চক্র উদ্ধার করেছে।
অপারেশনের প্রক্রিয়া এবং অবস্থা
তদন্ত অনুযায়ী, চুরি করা বিড়ালগুলো প্রথমে নির্দিষ্ট স্থানে রাখা হতো, পরে প্রতি দুই থেকে তিন দিন পরপর ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করা হতো। এই প্রাণীগুলো প্রায় চার হাজার থেকে পাঁচ হাজার পর্যন্ত হতে পারে, যাদের চুরি করা হয়েছিল এবং উদ্ধার করা হয়েছে। এই সংখ্যা সামগ্রিক প্রাণী চুরি হওয়ার প্রাচুর্য নির্দেশ করে। পুলিশের দাবি, এই অপারেশনটি চুরি করা প্রাণীগুলো ফিরে আনার জন্য সরাসরি কাজ করেছে।
প্রাণীকল্যাণ সংস্থা হিউম্যান ওয়ার্ল্ড ফর অ্যানিম্যালস জানিয়েছে যে, উদ্ধার করা বিড়ালের মধ্যে প্রায় ৪০টি এরই মধ্যে তাদের মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি পুলিশের কর্মকর্তাদের বিড়ালগুলোর জীবন রক্ষার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপের প্রশংসা করেছে। তারা বলছেন যে, এই উদ্ধার কাজটি ভিয়েতনামে মাংস বিক্রির জন্য বিড়াল চুরি চক্রের বিরুদ্ধে সামগ্রিক প্রচেষ্টার একটি সম্পূর্ণ অর্থ রয়েছে।
জনমত এবং প্রাণী চুরির প্রাচুর্য
সংস্থাটি তথ্য দিয়েছে যে ভিয়েতনামে প্রতি বছর প্রায় ৫০ লাখ কুকুর এবং ১০ লাখ বিড়াল মাংসের জন্য ধরা, চুরি, পাচার ও জবাই করা হয়। এই সংখ্যা সূচিত করে যে ভিয়েতনামে মাংস বিক্রি করার জন্য প্রাণী চুরি একটি অপরিহার্য প্রক্রিয়া হয়ে উঠেছে। এই অপারেশনটি সম্পন্ন হওয়ার পর এই প্রাণীগুলো আবার তাদের পুরো বাস পরিবেশে ফিরে আসার প্রচেষ্টা চলছে।
ভিয়েতনামে মাংস বিক্রি চক্রের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে খাবার প্রাচুর্য এবং বিশ্বাস বিড়াল এবং কুকুরের মাংস স্বাদের প্রতি রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিবেশী রাষ্ট্রে প্রাণী চুরি করার প্রথার প্রতিকূল পরিবেশ এবং প্রাণীর মাংস কেনার জন্য সাধারণ দর্শকদের ক্ষুধার কারণে এই কাজে বাড়ছে। পুলিশ অব্যাহত তদন্ত �